বাংলাদেশ কোস্টগার্ড এখন সত্যিকার অর্থে গার্ডিয়ান অব সি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বার্তাজগৎ২৪/কেএইচ
বার্তাজগৎ২৪ ডেস্ক: বার্তাজগৎ২৪ ডেস্ক:
প্রকাশিত: ৯:৩১ অপরাহ্ন, ১১ মে ২০২২ | আপডেট: ৯:০০ অপরাহ্ন, ২৭ মে ২০২২
ছবি: সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে যে কোস্টগার্ডের যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা এখন সত্যিকার অর্থে গার্ডিয়ান অব সি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

বুধবার খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জন্য নির্মিত ১টি ফ্লোটিং ক্রেন, ২টি টাগ বোট, ৬টি হাইস্পিড বোট এবং নারয়ণগঞ্জের ডিইডব্লিউ নির্মিত ১টি ইনশোর প্যাট্রোল ভেসেল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশের বাণিজ্যের নব্বই শতাংশই সমুদ্রপথে সম্পন্ন হয়। এছাড়া প্রতিবেশী দেশসমূহের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হওয়ায় বঙ্গোপসাগরে বিশাল সমুদ্র সম্পদের ভাণ্ডার আমাদের অধিকারে এসেছে। এগুলো আহরণ এবং সমুদ্রগামী জাহাজ সমূহের নিরাপত্তা বিধানে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বহুমূখী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। কোস্টগার্ডের জন্য নির্মিত এসব বোট হস্তান্তরের মাধ্যমে তাদের সক্ষমতা আরো বাড়বে। তিনি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে এসব বোট নির্মাণের জন্য খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডকে ধন্যবাদ জানান।

খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে খুলনা শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর এম সামছুল আজিজের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত অ্যান ভেন লিউইন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেন, খুলনা নেভাল এরিয়ার কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল এম আনোয়ার হোসেন ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল আশরাফুল হক চৌধুরী।

খুলনা শিপইয়ার্ড সূত্র জানায়, টাগ বোটদ্বয় ৩৫০০ টন ওজনের যেকোনো জাহাজের বার্থিং/আন বার্থিং, টোউ, পুশ/পুল অপারেশন ছাড়াও ফায়ার ফাইটিং, অন্য জাহাজের দুর্ঘটনাকালীন সহযোগিতা, ডুবন্ত জাহাজের উদ্ধার অভিযান ইত্যাদি জরুরি কাজ সম্পাদনে ব্যবহৃত হবে। বোটদ্বয় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সব জাহাজের বিভিন্ন অফশোর সাপোর্ট কার্যাবলি সম্পাদনে সক্ষম হবে।

এ ছাড়া অন্য বোটগুলো দ্বারা উপকূলীয় এলাকায় নিয়মিত টহল প্রদান, চোরাচালানবিরোধী অভিযান, মাদক পাচারবিরোধী অভিযান, দুর্ঘটনা-পরবর্তী উদ্বার ও অনুসন্ধান কার্যক্রম, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ-পরবর্তী উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনা, পরিবেশদূষণ প্রতিরোধ ইত্যাদি কার্যক্রমসহ বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সার্বিক অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হবে।

বার্তাজগৎ২৪/কেএইচ