এই গরমে যা খাবেন ইফতারে!

বার্তা জগৎ ডেস্ক:

প্রকাশিতঃ ৭ মে ২০১৯ সময়ঃ বিকেল ৩ঃ১৩
এই গরমে যা খাবেন ইফতারে!
এই গরমে যা খাবেন ইফতারে!

 

আপন সাদিক, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বছর ঘুরে আবার এলো মুসলিম সম্প্রদায়ের সিয়াম সাধনার পবিত্র মাহে রমজান। এবারের রোজায় গরম যেমন বেশি তেমনি দিনটাও অনেক বড়। তাই সারা দিন রোজা রাখার পরে যেন ইফতারিটা স্বাস্থ্যকর হয় সেদিকে খেয়াল রাখা দরকার। রোজার দিনে বাড়ির ছোট-বড় সবাই ভাজাপোড়া খাবারের আসক্ত হয়ে থাকেন। সেসব খাবার রোজাদারের জন্য খুবই মুখোরোচক বটে কিন্তু তা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এজন্য রমজান মাসে ইফতারে সুষম পুষ্টির সাথে শরীরিক সুস্থ্যতার কথা মাথায় রেখে ইফতারে কি খাবেন সেটা ঠিক করা জরুরি। ইফতারে ভাজা-পোড়া, গুরুপাক ও অতিরিক্ত মশলাদার, রকমারি অস্বাস্থ্যকর খাবার যত কম খাওয়া যায় তত ভালো। বাজার থেকে কেনা ইফতারির চেয়ে ঘরে তৈরি খাবার তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ। তাই ইফতারির মেনু এমনভাবে ঠিক করতে হবে যেন তা সবার জন্য উপযোগী হয়।

তরল খাবার

এবার রোজা পড়েছে তীব্র গরমে। তাই প্রথমে প্রচুর তরলের কথা মাথা রাখতে হবে। সম্ভব হলে কয়েক রকম শরবত রাখতে হবে ইফতারে। তরল বা শরবতজাতীয় খাবার হিসেবে লাচ্ছি, তাজা ফলের রস, ডাবের পানি, তোকমার শরবত, আখের গুড়ের শরবত ও লেবু পানি অনেক উপকারি। 

ফলমূল

মৌসুমী ফলমূল অবশ্যই ইফতারির মেনুত রাখা উচিত। বিভিন্ন ধরনের ফল দিয়ে তৈরি শরবত খাওয়া যেতে পারে। এ ধরনের খাবার ভিটামিন ও মিনারেলের চাহিদা পূরণ করে শরীরে প্রয়োজনীয় খাদ্য আঁশ জোগায়। এক্ষেত্রে খেজুর অনেকেই তালিকার শীর্ষে রাখতে পছন্দ করেন। সারাদিন রোজা রাখার পর পেট খালি থাকে বলে শরীরে গ্লুকোজের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। খেজুর সেটা দ্রুত পূরণে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত খেজুর খেলে অনেক রোগ থেকে দূরে থাকা যায়।

মৌসুমী ফলের শরবত

এখন পাওয়া যাচ্ছে এমন কয়েকটি ফল হলো আম, জাম, লিচু, আনারস ইত্যাদি। ইফতারের আইটেমে খুব সহজেই এই ফলগুলো জুস বানিয়ে রাখতে পারেন। এতে তৃষ্ণা মেটানোর পাশাপাশি পুষ্টিচাহিদা পূরণ হবে। 

ছোলা

ছোলা রোজার পরিচিত একটি খাবার। তাছাড়া ছোলা প্রোটিনের ভালো উৎস। তবে অনেক তেল ও মসলায় তৈরি ভুনা ছোলা খেলে উপকারের পরিবর্তে অপকার হতে পারে। 

সবজি

কয়েক রকম সবজি দিয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরি করলে তা শরীরের অনেক উপকারে আসে। সবজি-স্যান্ডউইচ, সবজি নুডলস, সবজি রোল, সবজি মম, সবজি পাকোরা ইত্যাদি ইফতারের মেনুতে রাখা যেতে পারে। বয়স্কদের সবজি স্যুপ দিলে ভালো হয়।

মিষ্টিজাতীয় খাবার

শুধু জিলাপি বা বুন্দিয়া নয়, ইফতারে স্বাস্থ্যকর ও দুগ্ধজাত মিষ্টান্ন পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে। জিলাপি বা বুন্দিয়া তেলে ভেজে সিরায় ফেলা হয়; যা বেশি খেলে ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই দুধের তৈরি মিষ্টি জাতীয় খাবার যেমন ফালুদা, কার্স্টাড, পুডিং , ফিরনি ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে।

অন্যান্য খাবার

চিড়া দই ইফতারের জন্য খুব ভালো একটি খাবার। এটি তাৎক্ষণিকভাবে শরীরে কার্ববোহাইড্রেট, প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম যোগায়।

বার্তা জগৎ২৪/ এম এ

 

Share on: