গোপালগঞ্জে ২২ ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত

বার্তা জগৎ ডেস্ক:

প্রকাশিতঃ ১ অগাস্ট ২০১৯ সময়ঃ ভোর ৪ঃ১৩
গোপালগঞ্জে ২২ ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত
গোপালগঞ্জে ২২ ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত

 

বার্তা জগৎ২৪ ডেস্কঃ

সারাদেশের ন্যায় গোপালগঞ্জেও ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ পর্যন্ত গোপালগঞ্জে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ২২ জনে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. অসিত কুমার মল্লিক জানান, গোপালগঞ্জে অন্যান্য জেলার মতো দেখা দিয়েছে ডেঙ্গু রোগের প্রভাব। গত ২৪ ঘণ্টায় আজ বুধবার বেলা ২টা পর্যন্ত আরো ৮ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়। গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ২২ জনে। এর মধ্যে সদরে ১৫ জন, মুকসুদপুরে ৪ জন এবং টুঙ্গিপাড়ায় ৩ জন।

এদিকে, ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাজী শহীদুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, সিভিল সার্জন ডা. তরুণ কুমার মন্ডল, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. অসিত কুমার মল্লিকসহ সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জরুরি মিটিং এ আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে স্কুল, কলেজ ও সরকারি-বেসরকারি সকল দপ্তরে স্ব স্ব উদ্যোগে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন অভিযান শুরু করা হবে। জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে জেলা শহরের সচেতনতামূলক মাইকিং শুরু করেছে। বাসা বাড়ির আঙিনাসহ চারপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, যথাস্থানে ময়লা ফেলার জন্য আহবান জানানো হচ্ছে।

অপরদিকে, বেশ কয়েকদিন ধরে ডেঙ্গুর প্রভাব দেখা দিলেও পৌরসভার মশা নিধনের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। বাসা বাড়িসহ ড্রেনে মশা নিধনের কোনো ওষুধ ছিটানো হয়নি। ফলে মশার হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না পৌরবাসী।

এ ব্যাপারে পৌর মেয়র কাজী লিয়াকত আলী লেকু বলেন, গোপালগঞ্জ পৌরসভায় মশা নিধনের পর্যাপ্ত মেশিন নেই। যে চারটি মেশিন রয়েছে তা অকেজো। যে কারণে মশা নিধনের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে ৬টি মেশিন আনা হচ্ছে। সেই সাথে ঢাকা থেকে এক ট্রাক মশা মারার ওষুধ আনা হচ্ছে।

সিভিল সার্জন ডা. তরুণ কুমার মন্ডল বলেন, জেলার সরকারি হাসপাতাল গুলোতে ডেঙ্গু রোগ শনাক্তকরণের কোনো কিট ছিল না। ঢাকা থেকে ১২০টি কিট পাঠানো হচ্ছে। যা জেলার জন্য অপ্রতুল। 

জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের নিয়ে যাতে কোনো ক্লিনিক মালিক ব্যবসা করতে না পারে সেদিকে নজর দেয়া হবে। সেই সাথে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরসহ বাসা-বাড়ি আঙিনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার আহবান জানান। 

সূত্র: সময় নিউজ