চতুর্থ বাঙালি হিসেবে নোবেল পুরস্কার পেলেন অভিজিৎ ব্যানার্জী

দিদারুল ইসলামঃ

প্রকাশিতঃ ১৪ অক্টোবর ২০১৯ সময়ঃ সন্ধ্যা ৭ঃ৫০
চতুর্থ বাঙালি হিসেবে নোবেল পুরস্কার পেলেন অভিজিৎ ব্যানার্জী
চতুর্থ বাঙালি হিসেবে নোবেল পুরস্কার পেলেন অভিজিৎ ব্যানার্জী

দিদারুল ইসলাম:

সারা পৃথিবীতে এখনো পর্যন্ত নোবেল পুরস্কারকে বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রতিবছর এই পুরস্কার কে ঘিরে সকলের মধ্যে একটি বাড়তি উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করে। অতীতে যে কয়েকজন বাঙালি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তাদের মাধ্যমে গর্বিত হয়েছে পুরো বাঙালিজাতি। এবারে সেই নোবেল বিজয়ীদের তালিকায় চতুর্থ বাঙালি হিসেবে যুক্ত হলো আরও এক বাঙালির নাম। তিনি হলেন কলকাতার অভিজিৎ ব্যানার্জী।

নিয়ম অনুযায়ী ২০১৯ সালে অর্থনীতিতে যারা নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন তাদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে আজ সোমবার। যৌথভাবে অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ীরা হলেন অভিজিৎ ব্যানার্জী, এস্থার ডুফলো এবং মাইকেল ক্রেমার। এদের মধ্যে অভিজিৎ ব্যানার্জী হলেন বাঙালি। একই সাথে নোবেল বিজয়ী ডুফলো হলেন অভিজিৎ ব্যানার্জীর স্ত্রী।

অভিজিৎ ব্যানার্জীর আগে আরও তিন বাঙালি বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এ পুরস্কারটি অর্জন করেছিলেন। বাঙালি হিসেবে সর্বপ্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় বিচরণ করা একমাত্র সিংহ পুরুষ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

এরপর দ্বিতীয় বাঙালি হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন অমর্ত্য সেন। কল্যাণ অর্থনীতিতে মৌলিক অবদানের জন্য তিনি ১৯৯৮ সালে মর্যাদাপূর্ণ এ পুরস্কারে ভূষিত হন।

তৃতীয় বাঙালি এবং সেই সাথে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ড. মো. মুহাম্মদ ইউনুস। ২০০৬ সালে তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

এবারে সর্বশেষ এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি অর্জন করেছেন ভারতীয় বাঙালি হিসেবে পরিচিত অভিজিৎ ব্যানার্জী। জানা গেছে, অভিজিৎ ব্যানার্জীর পুরো নাম অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন অর্থনীতিবিদ। ১৯৬১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।

অভিজিৎ ব্যানার্জী কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়ালেখা করেছেন। এরপর দিল্লীর জওহরলাল নেহেরু ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতিতে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৮ সালে তিনি হার্ভার্ড থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

নোবেল কমিটি জানাচ্ছে, বিশ্বের দারিদ্র্য দূরীকরণে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

বার্তা‌জগৎ২৪.কম/এফ এইচ পি

Share on: