চমেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

দিদারুল ইসলাম:

প্রকাশিতঃ ১৪ অগাস্ট ২০২০ সময়ঃ সন্ধ্যা ৭ঃ৫৬
চমেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি
চমেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

 

দিদারুল ইসলাম:

করোনা মহামারীর মধ্যে রোগীরা যেখানে চিকিৎসক সংকটে চিকিৎসা পাচ্ছে না সেখানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ছাত্রাবাস দখলে রাখাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলায় ইন্টার্ন চিকিৎসক আহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে চকবাজার গুলজার মোড়ে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এতে ২ ইন্টার্ন চিকিৎসক আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় ১১ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করলে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা।

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের এ কর্মবিরতিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা।

সংঘর্ষে আহত হওয়া দুইজন হলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. ওসমান ফরহাদ ও চমেক ছাত্র সংসদের (চমেকসু) সাহিত্য সম্পাদক সানি হাসনাইন প্রান্তিক। তারা নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজম নাছির উদ্দীনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

এই ঘটনায় রাতেই অভিযান চালিয়ে চমেক ছাত্রলীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে চকবাজার থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া ১১ ছাত্রলীগ নেতা হলেন অভিজিৎ দাশ, আতাউল্যা বোখারী, ইমন শিকদার, খোরশেদ ইসলাম, তৌফিকুর হাসান, সারোয়ার ফারুকী, কেএম তানভীর, ওবাইদুল হক, বুলবুল আহমেদ, শাহরিয়ার ইসলাম ইমন, মাহমুদুল ইসলাম ও সৈকত। তারা সবাই শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী বলে জানা যায়।

মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুর পরে চট্টগ্রাম নগরীতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মধ্যে নওফেল ও আ জ ম নাছিরের অনুসারীদের মধ্যে দ্বন্দ্বের ঘটনা নতুন কিছু নয়। তবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মতো জেলার প্রধান মেডিকেলে খুব শীঘ্রই এই দ্বন্দ্বের অবসান না হলে তার প্রভাব পড়বে মুমূর্ষু রোগীদের উপর।

বার্তাজগৎ২৪/ এম এ 

Share on: