চারটি বিয়ের পরেও নিজের আবেদন ধরে রেখেছেন পরীমনি

বার্তাজগৎ২৪ ডেস্ক:

প্রকাশিতঃ ৬ অগাস্ট ২০২০ সময়ঃ ভোর ৪ঃ৪৭
চারটি বিয়ের পরেও নিজের আবেদন ধরে রেখেছেন পরীমনি
চারটি বিয়ের পরেও নিজের আবেদন ধরে রেখেছেন পরীমনি

 

বার্তাজগৎ২৪ ডেস্ক:

বলিউডের শ্রীদেবী থেকে রাণীমুখার্জীর মতো নামকরা অভিনেত্রীরা যেখানে বিয়ের পর শোবিজে নিজের আবেদন ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। সেখানে বিয়ের পরেও নিজের গ্লামার সমানতালে ধরে রেখেছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনিন্দ্য সুন্দরী অভিনেত্রী পরীমনি। চলতি বছর মার্চে কামরুজ্জামান রনি নামের এক পাত্রের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন পরীমনি। কামরুজ্জামান নাগরিক নাট্যাঙ্গনের নির্দেশক ও সদস্য।

১০ মার্চ রাতে রাজধানী রাজারবাগ এলাকায় পরীমনি ও কামরুজ্জামান রনির বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।

পরীমনি তার এই বিয়েকে তার প্রথম বিয়ে বলে দাবি করলেও এর আগে তার একাধিক বিয়ের খবর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। তার একাধিক বিয়ে নিয়ে সোবিজে বেশ বিতর্ক সৃষ্টি করেছিলো। বিশেষ করে তার ভক্তদের মাঝে রয়েছে নানা গুঞ্জন। 

কামরুজ্জামানের সঙ্গে বিয়ের আগে সাংবাদিক তামিমের সাথেও তার বিয়ের খবর চাউর হয়েছিলো। সোবিজের উঠতি ক্যারিয়ারে বিনোদন সাংবাদিক তামিমকে পরীমনির সিড়ি হিসেবে ব্যবহার করারও গুঞ্জন শোনা গিয়েছিলো। 

অনুসন্ধানে জানা যায়, সাংবাদিক তামিমের সাথে বিয়ের গুঞ্জনের আগেও ২০১৬ সালের শুরুর দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয় চিত্রনায়িকা পরীমনির সাথে দুই জনের বিয়ের খবর।

এমনকি বিয়ের ছবি, কাবিননামা ও তালাকনামার ছবিও প্রকাশ পায় ফেসবুকে। ২০১৬ সালের ৩১ জানুয়ারি সকালে অনিক আব্রাহাম নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে ‘পরীমনি’র কিছু ছবি শেয়ার করা হয়। সেখানে অনিক দাবি করেছিলেন, পরীমনি তার বন্ধু ইসমাইলের স্ত্রী। তার কিছুদিন পরেই ফেসবুকে পাওয়া যায় পরীমনির কথিত বিয়ের কাবিননামা এবং নতুন কথিত বরের সঙ্গে কিছু ঘনিষ্ঠ ছবি। কিন্তু খুব সময় যেতে না যেতেই ফেসবুকে পাওয়া যায় পরীর আরও একজন কথিত স্বামীর সন্ধান। শাকিল রিয়াজ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে প্রকাশ করা হয়, পরীর নতুন বরের ছবি ও কাবিননামা। জানা গিয়েছিল, পরীমনির কথিত দ্বিতীয় স্বামীর নাম সৌরভ কবীর। তিনি একজন ফুটবলার। বাড়ি যশোরের কেশবপুরে। তিন বছর প্রেম করার পর ২০১২ সালের ২৮ এপ্রিল বিয়ে করেছিলেন পরীমনি ও সৌরভ।

সে সময়ে আলো অন্ধকার নামে একটি ফেসবুক পেজে পরীমনির কথিত প্রথম বিয়ের কাবিননামা এবং তালাকনামার ছবি প্রকাশ করে বিভিন্ন তথ্য জানানো হয়। তাতে উল্লেখ করা হয় যে, ইসমাইল ও পরীমনির বিয়ের কাজি ছিলেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার ভগীরথপুরের কাজি আবুল বাশার। নিকাহনামা ফরম নম্বর- ১৬০১, বিয়ের রেজিস্ট্রি তারিখ: ২৪.৪.০৯ ইং, দেনমোহর: ৫ লক্ষ টাকা মাত্র। বিবাহের সাক্ষী: ১. মো. কবির হোসেন, পিতা: আ: হাশেম, ঠিকানা: ভগীরথপুর, মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর। ২. মো. এনামুল কবীর, পিতা: আ: রাজ্জাক, ঠিকানা: ভগীরথপুর, মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর। তালাকের তারিখ: ২০.৪.১২, তালাকের রেজিস্ট্রি তারিখ: ১.৮.১২। সাক্ষী: আবুল হাশেম ও কাওছার গাজী। ঠিকানা: সিংহখালী, ভান্ডারিয়া, পিরোজপুর।

কিন্তু তখন এসব ঘটনা অস্বীকার করে পরীমনি গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, এটা ফেইক। বিয়ের আসরে বসে থাকলে সেটা বিয়ে কিনা যাচাই করা উচিৎ। আর ছবি থাকলেই তো স্বামী হয় না। ছবি তো হাজার জনের সঙ্গে আছে। তার মানে এই নয় যে সবাই আমার স্বামী।`

উল্লেখ্য, এ সকল বিয়ের কথাই পরীমনি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বলে সবসময়েই দাবী করে আসছেন পরীমনি। এগুলো তার ক্যারিয়ার ধ্বংসের চক্রান্ত বলে তিনি মনে করেন বলে তিনি গণমাধ্যমকে বলে আসছেন।

বার্তাজগৎ২৪/ এম এ

Share on: