মনে আছে কি সেই ইয়াসমিনের কথা?

বার্তা‌জগৎ২৪ ডেস্কঃ

প্রকাশিতঃ ২৩ অগাস্ট ২০১৯ সময়ঃ সকাল ১০ঃ৪৮
মনে আছে কি সেই ইয়াসমিনের কথা?
মনে আছে কি সেই ইয়াসমিনের কথা?

বার্তা‌জগৎ২৪ ডেস্কঃ

১৯৯৫ সালের এই দিনে দিনাজপুরে পুলিশ সদস্যের দ্বারা ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হন কিশোরী ইয়াসমিন। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করতে গেলে পুলিশের গুলিতে আরও তিনজন নিহত ও আহত হন অর্ধশতাধিক। 

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ৩ পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলেও এখনও কমছে না ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো ঘটনা। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায়ে এসআই মঈনুল হোসেনসহ ৩ পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ইয়াসমিন হত্যার বিচার হলেও সমাজে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বেড়ে চলায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নারীরা।

১৯৯৫ সালের ২৪ আগস্ট নৈশ কোচে ঢাকা থেকে নিজ বাড়ি দিনাজপুরে যাচ্ছিলেন ইয়াসমিন। ভোরে জেলার দশমাইল মোড়ে একটি চায়ের দোকানের সামনে নামলে টহল পুলিশের একটি দল ইয়াসমিনকে শহরে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে পিকআপে তুলে ধর্ষণ ও হত্যা করে। ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী কোতোয়ালি থানা ঘেরাও করলে পুলিশের গুলিতে তিনজন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হন।

ইয়াসমিন হত্যার দীর্ঘ ২৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো সন্তান হারানোর বেদনায় কাতর মা শরীফা বেগম। শরীফা বেগম বলেন, আমার মেয়ের মতো যেন আর কারো না হয়।

পুলিশের গুলিতে নিহত সামুর স্ত্রী মাহমুদা বেগম বলেন, সরকার আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল আমার কর্মসংস্থানের একটা ব্যবস্থা করবে। সেটাও তারা বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

দিনাজপুর মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ড. মারুফা বেগম বলেন, আমরা উৎকণ্ঠিত। নারী নির্যাতন-ধর্ষণ তো কমেইনি, বরং অনেকগুণ বেশি বেড়ে গেছে। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত এসব ঘটনা রোধে সরকার তৎপর বলে জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।

দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জনশীল গোপাল বলেন, এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। প্রশাসন এগুলো নির্মূলের ক্ষেত্রে সচেতন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

বার্তা‌জগৎ২৪.কম/এফ এইচ পি