মাকে খুন করে প্রেমিককে নিয়ে ফূর্তিতে মত্ত মেয়ে

বার্তাজগৎ২৪ ডেস্ক:

প্রকাশিতঃ ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০ সময়ঃ সকাল ১১ঃ২০
মাকে খুন করে প্রেমিককে নিয়ে ফূর্তিতে মত্ত মেয়ে
মাকে খুন করে প্রেমিককে নিয়ে ফূর্তিতে মত্ত মেয়ে

বার্তাজগৎ২৪ ডেস্ক:

ছুরি দিয়ে মাকে গলা কেটে খুন করেছেন মেয়ে। আর রডের বাড়ি মেরে রক্তাক্ত করলেন ভাইকে । এরপর মায়ের মরদেহ আর আহত ভাইকে বাড়িতে ফেলে রেখেই ঠান্ডা মাথায় প্রেমিককে নিয়ে উঠে পড়েন আন্দামানগামী বিমানে। পরে ওই তরুণী ও তার পুরুষসঙ্গীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কিন্তু এমন ঘটনায় হতভম্ব হয়ে গেছেন পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার জানায়, অভিযুক্ত অমৃতা চন্দ্রশেখর (৩৩) একজন তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী। তিনি ভারতের বেঙ্গালুরু শহরের বাসিন্দা।

তার ভাই হরিশ জানান, অমৃতা বাড়িতে জানিয়েছিলেন, তাকে হায়দরাবাদে বদলি করে দেওয়া হয়েছে। তাই তাঁকে চলে যেতে হবে। এরপর গত সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে নাগাদ তিনি তার দিদিকে নিজের জামা কাপড় গোছগাছ করতে দেখেন। হরিশ তাকে সাহায্য করতে চাইলেও রাজি হননি অমৃতা। এরপরই ছোট ভাই হরিশের উপর রড নিয়ে চড়াও হন অমৃতা। হরিশের চিৎকার শুনে ছুটে আসেন তাদের মা-ও। তখন ভাইকে ছেড়ে ছুরি হাতে মায়ের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন অমৃতা। ছুরির আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যান মা। এরপর তাদেরকে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান অমৃতা।

হরিশ আরও জানান, অমৃতার ছেলেবন্ধু শ্রীধর রাও তখন রাস্তায় মোটরসাইকেল নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। তার মোটরসাইকেলে চড়েই চম্পট দেন দুজনে। হরিশ জখম অবস্থাতেই আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে শেষ পর্যন্ত মা-কে বাঁচাতে পারেননি তিনি।

খবর পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। অমৃতা ও তাঁর পুরুষসঙ্গী শ্রীধরের খোঁজ পেয়ে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের পোর্টব্লেয়ারে ছুটে যায় পুলিশের একটি দল। সেখান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এই ঘটনা সম্পর্কে এক পুলিশকর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এই ঘটনার তদন্ত করছি। এই খুনের উদ্দেশ্য কী তা এখনও আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়।’

তবে তদন্তকারীরা মনে করছেন, অমৃতার পরিবার ঋণে ডুবে রয়েছে। এ কারণেই অমৃতারমধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছিল। এই খুনের সঙ্গে অমৃতার প্রেমিক শ্রীধরের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

বার্তাজগৎ২৪/সা/হ

 

Share on: