শনিবার, ৮ মে ২০২১ , ২৫ বৈশাখ ১৪২৮

ম্যাজিস্ট্রেট মামুন মুক্তিযোদ্ধা নয়, রাজাকারের সন্তান

বার্তাজগৎ২৪ ডেস্ক:
প্রকাশিত :মঙ্গলবার, এপ্রিল ২০, ২০২১, ০৬:৩০

  • আল মামুন

    গত দু'দিন আগে অর্থাৎ (১৯ এপ্রিল) রবিবার রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে এক ডাক্তারের সাথে ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের দায়িত্ব পালনকালে কিছু বিষয় নিয়ে বাকবিতন্ডার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ওই ভিডিও নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে আলোচনা-সমালোচনা। তবে ভিডিওতে একটা পর্যায় দেখা যায় ওই ডাক্তার নিজের পরিচয় প্রকাশ করে বলেন, তিনি বীরবিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত এক মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে সাঈদা শওকত। তখন ম্যাজিস্ট্রেটও নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলে দাবি করেন। আর এটা নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এর মধ্যে অনেকে দাবি করছেন ওই ম্যাজিস্ট্রেট মুক্তিযোদ্ধার সন্তান না। তিনি একজন রাজাকারের সন্তান। অনেকে ওই ম্যাজিস্ট্রেটকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক প্রভাবশালী ক্যাডার বলেও ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছেন। এমনই একটি পোস্ট করেছেন আশরাফুল ইসলাম সোহাগ নামের এক ব্যক্তি। পাঠকের সুবিধার জন্য সেই স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-





    ‘গতকাল ঢাকায় ডাক্তার ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশে মধ্যে যে ঘটনাটি ঘটেছে সেখানে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয় দেওয়া ম্যাজিস্ট্রেট আল মামুন ওরফে মামুন। সে আসলে কোন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নয়, সে রাজাকারের সন্তান। তার বাড়ি খুলনা মহানগরীর পূর্ববানিয়াখামার, বি.কে মেইন রোডস্থ পূর্ববানিয়াখামার বড় মসজিদের একটু সামনে। তার পিতার নাম আসাদুজ্জামান ওরফে রাজ্জাক রাজাকার। এলাকার সবাই তার পিতাকে রাজ্জাক রাজাকার নামেই চেনে। রাজ্জাক রাজাকার ভূয়া কাগজপত্র বানিয়ে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তিনি কাস্টমসে চাকরি বাগিয়ে নেন। কাস্টমসে চাকরি করে অবৈধভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা ইনকাম করেন। সেই টাকায় ঢাকায় ৪/৫ টি ফ্লাট কেনেন এবং খুলনা ৫/৭ টি বাড়ি বানান এবং তার নিজের তিন মেয়ের নামে ৩ টি ও ছেলেদের নামে ও বাড়ি দেন। রাজ্জাক রাজাকার চাকরি থেকে অবসরে গিয়ে তার অন্য পুত্র হারুন কে কাস্টমসে চাকরি দেন এবং সে এখনো চাকরিরত। হারুন ছিলেন খুলনা মজিদ মেমোরিয়াল সিটি কলেজের একসময়ের শিবির ক্যাডার। সেও এলাকায় শিবির হারুন নামে পরিচিত। মামুনের ভগ্নিপতি শাজাহান জামাত নেতা ও ওলামা দলের নেতা ছিলেন। সে খুলনা আহসান উল্লাহ কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক ছিলেন কিন্তু কোন একটি ঘটনায় তার চাকরি চলে যায়। মামুন ঢাকায় পড়াকালীন ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের ভয়ংকর ক্যাডার ছিলেন। একসময়ের ছাত্রদল সভাপতি আজিজুল বারী হেলালের কথিত শালা/কুটুম বলে পরিচয় দিতেন মামুন। পরবর্তীতে মামুন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন এবং মন্ত্রী যখন খুলনায় সফরে যেতেন তার সাথে সে ও যেতেন। সেই সুবাদে মামুন এলাকার বিভিন্ন জনের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়েছেন। মামুনের পিতা কোন ভাবেই মুক্তিযোদ্ধা নয় বরং সে মুক্তিযুদ্ধকালীন রাজাকার ছিলেন এবং তার পরিবারের সবাই জামাত বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।


    /

    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    শনি
    রোব
    সোম
    মঙ্গল
    বুধ
    বৃহ
    শুক্র

    সম্পাদক: দিদারুল ইসলাম
    প্রকাশক: আজিজুর রহমান মোল্লা
    মোবাইল নাম্বার: 01711121726
    Email: bartajogot24@gmail.com & info@bartajogot24.com