• বৃহস্পতিবার, ৬ মে ২০২১ , ২৩ বৈশাখ ১৪২৮
  • আর্কাইভ

বৃহস্পতিবার, ৬ মে ২০২১ , ২৩ বৈশাখ ১৪২৮

সরকারি সার ও বীজ পাচারের সময় স্থানীয় জনতার হাতে ধরা

বার্তাজগৎ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত :মঙ্গলবার, এপ্রিল ২০, ২০২১, ১০:১৩

  • কৃষকদের প্রণোদনার জন্য দেয়া সরকারি সার ও বীজ পাচারের সময় সেগুলো আটক করেছে জনতা

    কৃষকদের প্রণোদনার জন্য দেয়া সরকারি সার ও বীজ পাচারের সময় সেগুলো আটক করেছে জনতা। এই সার ও বীজগুলো ময়মনসিংহের ধোবাউড়ার কৃষকদের জন্য প্রণোদনা দেয়া হয়েছিল। আটকের পর কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা ও পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে বীজ ও সারগুলো উদ্ধার করে। 


    এ বিষয়ে কৃষি বিভাগের দাবি- সার ও বীজগুলোপ্রকৃত কৃষকদের দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কারা এগুলো বিক্রি করার জন্য নিয়ে যাচ্ছিল তা অনুসন্ধানে কাজ করছে উপজেলা প্রশাসন। 

    আজ (২০ এপ্রিল) মঙ্গলবার প্রান্তিক কৃষকদের আউষ প্রণোদনা হিসেবে ধোবাউড়া সদর ইউনিয়নের ১১০ জন কৃষকের মাঝে প্রণোদনা বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক কৃষককে ৫ কেজি করে বীজ ধান ও দুই প্রকারের ৩০ কেজি সার বিতরণ করা হয়। কিন্তু বিকেল ৫টার দিকে তিনটি রিকশায় করে সার ও বীজ সরকারি গোডাউন থেকে উপজেলা সদর বাজারে যাওয়ার পথে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয় এবং তার আটক করে। সদর বাজারে সার ও বীজবাহী রিকশাগুলো আটকের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছান উপজেলা কৃষি অফিসার। তখন ঘটনাস্থলে যায় পুলিশও। পরে তিনটি রিকশা ভর্তি সার ও বীজ উদ্ধার করে সেগুলো কৃষি বিভাগের গোডাউনে নেওয়া হয়। এর মধ্যে ছিল ৩৬ প্যাকেট (প্রতি প্যাকেটে ১০ কেজি) বীজ ধান এবং ২৮ বস্তা সার। যে সার ও বীজ উদ্ধার হয়েছে সেগুলো অন্তত ৭২ জন কৃষকের মধ্যে বিতরণ করার কথা ছিলো। ২৮ বস্তা সার পেতেন ৩৬ জন কৃষক। কিন্তু প্রকৃত কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ না করে অসাধু চক্রের মাধ্যমে সেগুলো পাচার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। 

     

    আরো পড়ুন -

    ১.বুধবার থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলবে

    ২.বিয়ের একদিনের ব্যবধানে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

     

    রিকশার চালকরা কৃষি বিভাগকে বলেছেন, ৭ জন মেম্বার সার ও বীজ ধোবাউড়ার গো হাটায় নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেন তাদের। গোডাউন থেকে সার ও বীজগুলো তারা নিয়ে গো’ হাটার দিকেই যাচ্ছিলেন। কিন্তু স্থানীয় মানুষদের সন্দেহ হওয়ায় পথে তাদের আটক করে। অবশ্য রিকশা চালকরা ইউপি সদস্যদের নাম বলতে পারেননি।


    বিষয়টি নিয়ে ধোবউড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. এরশাদুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

    উপজেলা কৃষি অফিসার গোলাম সরোয়ার তুষার গণমাধ্যমকে বলেন, ওই ইউপির কয়েকজন মেম্বারের তালিকার কিছু লোক ছিলো। তাদের পরিচিত লোকজনের বরাদ্দগুলো হতে পারে। তবে প্রকৃত কৃষকদের মাঝেই সার ও বীজ বিতরণ করেছিলেন। তার মাস্টার রোলও তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। কৃষি বিভাগের কোনো কর্মী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন বলেও তিনি দাবি করেন।

    তিনি বলেন, সার ও বীজগুলো স্থানীয় মানুষ আটক করে খবর দিলে সেগুলো উদ্ধার করে নিয়ে আসি। কৃষকরা চুক্তি করেও সেগুলো বিক্রির জন্য নিয়ে যেতে পারে। তবে কারা এমনটি করেছে তাদের শনাক্ত করতে কাজ করছেন তারা।

    /আবুল বাশার

    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    শনি
    রোব
    সোম
    মঙ্গল
    বুধ
    বৃহ
    শুক্র

    সম্পাদক: দিদারুল ইসলাম
    প্রকাশক: আজিজুর রহমান মোল্লা
    মোবাইল নাম্বার: 01711121726
    Email: bartajogot24@gmail.com & info@bartajogot24.com