• বৃহস্পতিবার, ৬ মে ২০২১ , ২৩ বৈশাখ ১৪২৮
  • আর্কাইভ

বৃহস্পতিবার, ৬ মে ২০২১ , ২৩ বৈশাখ ১৪২৮

গর্ভাবস্থায় করোনায় আক্রান্ত হলে যা করণীয়

বার্তাজগৎ২৪ ডেষ্ক
প্রকাশিত :বুধবার, এপ্রিল ২৮, ২০২১, ০৭:২৭

  • ফাইল ফটো

    গর্ভাবস্থায় যে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নেই তা কিন্তু নয় বিশ্বে অনেকেই মহামারী করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। অনেকের মনে হয়ত প্রশ্ন থাকতে পারে যে গর্ভাবস্থায় করোনা আক্রান্ত হলে করনীয় কি? এ প্রশ্নের আলেকে নিজে করনীয় বিষয়বস্তু তুলে ধরা হয়েছে।


     

    অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, করোনায় আক্রান্ত গর্ভবতী নারী এবং নবজাতকের জটিলতার ঝুঁকি বেশি। যদিও এটি সব গর্ভবতী নারীর বেলায় প্রযোজ্য নয়। 

     

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনায় আক্রান্ত হয়ে বড় কোনো জটিলতা দেখা না দিলে আতঙ্কিত না হয়ে হালকা সংক্রমণে উপযুক্ত ডায়েট, বিশ্রাম এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে খুব সহজেই বাড়িতে থেকেই করোনা নিরাময় করা যায়। তবে গর্ভবতী নারীদের এ সময় হাসপাতালে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

     

    তবে সুসংবাদ হলো কোভিডের কারণে কোনো জন্মগত জটিলতা নেই। এটি রোগের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে। যদি অক্সিজেনের মাত্রা ভালো থাকে এবং কোনো দীর্ঘমেয়াদি একাধিক রোগ না থাকে, তবে এতে কোনো ঝুঁকি নেই বললেই চলে। 

     

    আরো পড়ুন -

    ১.সরকার যেখান থেকেই পারে টিকা সংগ্রহ করবে : কাদের

    ২.দরিদ্র প্রবাসীকর্মীরা বিপাকে পড়েছেন

    ৩- ডিএমসির ডাক্তারদের নাচের ভিডিও ভাইরাল

    ৪- কমতে পারে গরম

     

    আক্রান্ত হলে করণীয়ঃ

    * রোগ নিরাময়ের চেয়ে রোগ প্রতিরোধ শ্রেয়। তাই আগে থেকেই করোনা প্রতিরোধে সমস্ত সুরক্ষা অনুসরণ করছেন কিনা নিশ্চিত হোন। অপ্রয়োজনীয় কোনো পদক্ষেপ নেবেন না।

    * করোনা পজিটিভ হলে আতঙ্কিত হয়ে হাসপাতালে যাবেন না। বেশিরভাগ কোভিড কেসগুলো ডাক্তারের সঙ্গে ফোনে পরামর্শ নিয়ে বাড়িতেই পরিচালনা করা যায়।

    * স্বাস্থ্যকর ডায়েট এবং বিশ্রামের পাশাপাশি ভিটামিন এবং জিঙ্ক খান। মাঝারি ব্যায়াম এ সময় অব্যাহত রাখুন।

    * নিজে কোনো ওষুধ সেবন করবেন না। সাপ্লিমেন্ট সেবনের আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নিন।

    * গর্ভাবস্থায় শেষ তিন মাস শ্বাস-প্রশ্বাসে জটিলতা এবং ইমিউনিটি কম থাকায় সতর্ক থাকা জরুরি।

     

    কখন তাৎক্ষণিক চিকিৎসা প্রয়োজনঃ

    চার দিন ধরে প্যারাসিটামল সেবনের পরও জ্বর না কমলে এবং যে কোনো সময় অক্সিজেনের স্যাচুরেশেন ৯৪ এর নিচে নেমে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে হবে। যদি বুকে প্রচণ্ড ব্যথা হয়, নখে নীলচে ভাব আসে তবে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে।


     

    করোনা আক্রান্ত গর্ভবতী মায়ের কাছ থেকে সাধারণত গর্ভের সন্তানের সংক্রমিত হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। যদিও এটি হতে পারে। এ জন্য সঠিক স্যানিটাইজেশন প্রক্রিয়া মেনে মাস্ক পরে বুকের দুধ পান করানো উচিত। বুকের দুধ বোতলে নিয়ে বাচ্চাকে খাওয়ানোর জন্য অন্য কাউকে দিতে পারেন।

    সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

    /এস এ. আকাশ

    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    শনি
    রোব
    সোম
    মঙ্গল
    বুধ
    বৃহ
    শুক্র

    সম্পাদক: দিদারুল ইসলাম
    প্রকাশক: আজিজুর রহমান মোল্লা
    মোবাইল নাম্বার: 01711121726
    Email: bartajogot24@gmail.com & info@bartajogot24.com