• বৃহস্পতিবার, ৬ মে ২০২১ , ২৩ বৈশাখ ১৪২৮
  • আর্কাইভ

বৃহস্পতিবার, ৬ মে ২০২১ , ২৩ বৈশাখ ১৪২৮

আন্তজার্তিক শ্রমিক দিবসে শিক্ষার্থীদের ভাবনা

আবুল বাশার:
প্রকাশিত :শনিবার, মে ১, ২০২১, ০৪:০৪

  • আন্তজার্তিক শ্রমিক দিবসে শিক্ষার্থীদের ভাবনা তুলে ধরেছেন হাবিপ্রবি প্রতিনিধি আবুল বাশার

    মে দিবস তখন সফল যখন শ্রমিক তার জীবনে সফল। তবে বর্তমানে শ্রমিকের জীবন বলে কিছু আছে সেটা মালিক পক্ষ মনে করেন বলে আমার মনে হয় না। শ্রমিকের ৮ ঘন্টার কাজের দাবি আজ অব্ধি আমাদের দেশে কার্যকর হয়নি বলে আমি মনে করি।তারা ওভার টাইম কাজ করানোর নামে শ্রমিকদের উপরে জুলুম করছে। একজন ব্যক্তির জীবন কে বিজ্ঞান তিন ভাগে ভাগ করেছে ৮ ঘন্টা শ্রম, ৮ ঘন্টা বিনোদন ও ৮ ঘন্টা ঘুম।সেখনে যদি একজন মানুষ ১২ ঘন্টা কাজ করে তাহলে সে নিশ্চয় স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে না।আমদের দেশে নিয়ম হয় তবে তার কার্যকর করার মানসিকতা কখনোই আমরা দেখিনি।


    যাহোক আশা রাখি সুদিন আসবে, সেই প্রত্যাশায় আশা বাঁধি।জয় হোক শ্রমিকের জয় হোক বাংলার।

    তাসমিয়া কামাল অনন্যা

    শিক্ষার্থী 

    হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর

     

    আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস যা সচরাচর মে দিবস নামে অভিহিত। ১৮৮৬ সালে আমেরিকার হেগ শহর থেকে এর উৎপত্তি। স্বাধীন বাংলাদেশে শ্রমিক দিবস স্বতঃস্ফূর্ত ভাবেই পালন হয়ে থাকে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৮০ টি দেশে পয়লা মে জাতীয় ছুটির দিন এবং এই দিনে শ্রমিকরা রাজপথে তাদের দাবি আদায়ের জন্য মিছিল ও শোভাযাত্রা করে থাকে। দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী দিয়ে থাকেন।প্রতিবছর একটি প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে মে দিবস তথা শ্রমিক দিবস পালন করা হয়। ২০২১ সালের প্রতিপাদ্য বিষয় হল - " মালিক-শ্রমিক নির্বিশেষে মুজিবর্ষে গড়বো দেশ"। শ্রমজীবী মানুষেরা হচ্ছে অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি। বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বে শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য মজুর, কর্মদিবস এবং অধিকার বাস্তবায়ন করা উচিত বলে আমি মনে করি।

    মাসুদ রানা জিম

    শিক্ষার্থী

    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া

     

    আমাদের দেশের হাজারো শ্রমিক ভাইদের নিয়ে আজ আমি গর্বিত।আজ মহান মে দিবসে বিশ্বের শ্রমজীবি মানুষকে জানাই অভিনন্দন। মে দিবস রক্ত দিয়ে অধিকার আদায়ের মাস।এই মাসেই লাল বর্ণে লিখা হয়েছিল ইতিহাস 

    তাই মে দিবসের শিক্ষা নিয়ে আমাদের অধিকার আদায় করতে হবে। এজন্য সকল শ্রমজীবি মেহনতী মানুষদের প্রতি আহ্বান জানাই। সারা বিশ্ব গভীর শ্রদ্ধা ও বিনয়ের সাথে স্মরণ করেন কল কারখানায় খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ে রক্তঝরা সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন।

    ১৮৮৬ সালের এদিন বুকের তাজা রক্ত ঝরিয়েছিলেন শ্রমিকরা।আট ঘন্টা কাজের দাবিতে এদিন শ্রমিকরা যুক্তরাষ্ট্রের সব শিল্পাঞ্চলে ধর্মঘটের ডাক দিয়ে ছিলেন। বিক্ষোভের এক পর্যায়ে পুলিশ শ্রমিকদের ওপর নির্বিচারের গুলি চালালে ১০ জন শ্রমিক প্রান হারান। অবশেষে তীব্র আন্দোলনের মুখে শ্রমিকদের দৈনিক আট ঘন্টা কাজের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয় যুক্তরাষ্ট্র সরকার।

     শ্রমিক দিবসের প্রেরনা থেকে বাংলাদেশ এখন মোটেও পিছিয়ে নেই। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে বিপুল উদ্দীপনা নিয়ে মে দিবস পালিত হয়। ওই বছর ১লা মে সরকারি ছুটি ঘোষিত হয়।

    শ্রমজীবী মানুষকে শোষণের হাত থেকে মুক্তি ও তাদের অধিকার আদায়ের নানা শ্রেণী-পেশার শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নে আমাদের এগিয়ে আসতে হবে।

    ব্যক্তি মালিকানা নির্বিশেষে অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন অধিকারসহ গণতান্ত্রিক শ্রম আইন ও শ্রম বিধিমালা প্রণয়ন, নিরাপদ কর্মস্থল, শোভন কাজ ও শোভন মজুরী নিশ্চিত করা, রেশন প্রথা চালু, নারী শ্রমিকদের সমকাজে সমমজুরী, সামাজিক মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সুলভে বাসস্থান, কারখানা ভিত্তিক হাসপাতাল এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা ব্যবস্থা করে শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনী নিশ্চিত করে শ্রমিকদের সুবিধা দিতে সরকারের প্রতি আহবান আমাদের সর্বস্তরের মানুষের।


    রাকিবুল হাসান সাদিত

    শিক্ষার্থী 

    হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর

    /আবুল বাশার

    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    শনি
    রোব
    সোম
    মঙ্গল
    বুধ
    বৃহ
    শুক্র

    সম্পাদক: দিদারুল ইসলাম
    প্রকাশক: আজিজুর রহমান মোল্লা
    মোবাইল নাম্বার: 01711121726
    Email: bartajogot24@gmail.com & info@bartajogot24.com