• শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১ , ১০ আষাঢ় ১৪২৮
  • আর্কাইভ

শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১ , ১০ আষাঢ় ১৪২৮

যাদের দেখা যাবে না এবারের ইউরোতে

এহসান ফারুকী:
প্রকাশিত :শুক্রবার, জুন ১১, ২০২১, ০২:৩১

  • ইউরোপিয়ান লীগ

    করোনা ভাইরাসের কারণে এবার একটি দুটি দেশে নয় এগারোটি দেশে বসছে ইউরোর খেলা। জনপ্রিয় এই টুর্নামেন্টে কেউ ইঞ্জুরি, কেউ করোনা পজিটিভ, কারো দলে ডাক না পাওয়া ছিলো। তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সার্জিও রামোস, ভার্জিল ফ্যান ডাইক, আর্লিং হ্যালান্ড, জ্বালাতান ইব্রাহিমোভিচ, আনসু ফাতি।     


    সার্জিও রামোস :

    অবশ্যই এবারের ইউরোর আসরে অনুপস্থিত থাকা সবচেয়ে বড় নাম হচ্ছে সার্জিও রামোস। ২০০৬ সালের পর টানা নয়টি বড় টুর্নামেন্ট খেলার পর এবারই প্রথম স্প্যানিশ এই অধিনায়ক আন্তর্জাতিক কোন আসরে খেলতে পারছেন না। ইনজুরি আক্রান্ত একটি মৌসুম কাটানোর পর ইউরোর আগে অন্তত রিয়াল মাদ্রিদের এই সেন্টার-ব্যাকের সুস্থ হয়ে ওঠার আশা করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি। এবারের মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের জার্সি গায়ে তিনি মাত্র তিনটি ম্যাচে পুরো ৯০ মিনিট মাঠে ছিলেন এবং লা লিগায় মাত্র একটি ম্যাচে মূল একাদশে খেলেছেন। ইনজুরির পাশাপাশি কোভিড-১৯’এও আক্রান্ত হয়েছিলেন রামোস।

    ভার্জিল ফন ডাইক :

    গত গ্রীষ্মে ইউরো বাতিল হয়ে যাওয়ায় সম্ভবত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে নেদারল্যান্ড। কারণ সেই সুযোগে আগস্টে নেদারল্যান্ডের বদলে যাবার মূল নায়ক কোচ রোনাল্ড কোম্যান জাতীয় দল ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছিলেন। এরপর অধিনায়ক ও দলের নির্ভরযোগ্য সেন্টার-ব্যাক ভার্জিল ফন ডিক অক্টোবরে গুরুতর লিগামেন্ট ইনজুরিতে পড়ে লিভারপুলের হয়ে বাকি মৌসুমটা আর মাঠে নামতেত পারেননি।


    জ্লাটান ইব্রাহিমোভিচ :

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবারো নিজেকে প্রমানের প্রায় দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছিলেন এসি মিলান তারকা জ্লাটান ইব্রাহিমোভিচ। কিন্তু সিরি-এ মৌসুমের শেষভাগে এসে গুরুতর হাঁটুর ইনজুরি তার সেই স্বপ্ন ভেঙ্গে দিয়েছে। ৩৯ বছর বয়সী এই সুইডিশ তারকতা পাঁচ বছরের আন্তর্জাতিক অবসর ভেঙ্গে মার্চে পুনরায় দলে ফিরেছিলেন। এসি মিলানের হয়ে ১৬ গোল ও ২৬ এসিস্টই তাকে জাতীয় দলে ফিরিয়ে এনেছিল।


    তার সুবাদে গত আট মৌসুম পরে এবারই প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফিরেছে এসি মিলান। মার্চে সুইডিশ দলে ফিরেই তিনি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দুই ম্যাচে দুটি এসিস্ট করেছেন। ইউরোর গ্রুপ পর্ব থেকে সামনে এগিয়ে যাবার জন্য ড্রেসিং রুমে তার অভিজ্ঞতা ও উপস্থিতি খুব বেশী প্রয়োজন ছিল।


    আর্লিং হালান্ড :
    পারফরেমেন্সর পাশাপাশি দুর্দান্ত ফিটনেস ও গোল করার দক্ষতা সবকিছুতেই তার সাথে একজন জাত নাম্বার ৯ এর মিল পাওয়া যায়। আগামী দুই দশকে ইউরোপীয়ান ফুটবলে বিশ্বের সব শীর্ষ ক্লাবগুলোকে তিনি প্রতিনিধিত্ব করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মাত্র ২০ বছর বয়সেই হালান্ড তার প্রমাণ দিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক আসরে বড় টুর্নামেন্টে খেলার অভিজ্ঞতা হালান্ডের আরো বিলম্বিত হলো। ২০ বছর বয়সী বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের এই স্ট্রাইকার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সর্বোচ্চ ১০ গোল করার পাশাপাশি বুন্দেসলিগায় করেছেন ২৭ গোল।
     

    আনসু ফাতি :
    এবারের ইউরোতে আরো একজন তরুণের খেলা দেখা থেকে ফুটবল বিশ্ব বঞ্চিত হবে, তিনি হচ্ছেন স্পেনের আনসু ফাতি। ১৮ বছর বয়সেই তিনি স্পেনের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে গোল করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। গত বছর হাঁটুর ইনজুরিতে পড়ায় তার আর ইউরোতে খেলা হচ্ছে না। শুধুমাত্র জাতীয় দলের জার্সি গায়ে নয় নিজ ক্লাব বার্সেলোনার হয়েও তিনি বেশ কিছু রেকর্ড কনে ফেলেছেন।


    /

    ×
    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    শনি
    রোব
    সোম
    মঙ্গল
    বুধ
    বৃহ
    শুক্র

    সম্পাদক: দিদারুল ইসলাম
    প্রকাশক: আজিজুর রহমান মোল্লা
    মোবাইল নাম্বার: 01711121726
    Email: bartajogot24@gmail.com & info@bartajogot24.com