• বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১ , ২ বৈশাখ ১৪২৮
  • আর্কাইভ

বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১ , ২ বৈশাখ ১৪২৮

রাজনীতির এ বি সি ডি জেনেই রাজনীতিতে আসা উচিত খোকনের

বার্তাজগৎ২৪ ডেস্ক:
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২১, ০১:৫৯

  • রাজনীতির এ বি সি ডি জেনেই রাজনীতিতে আসা উচিত খোকনের

    মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন দলছুট, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অবিচল থাকতে পারেন নাই। আওয়ামী লীগের দু:সময়ে দুই বছর জাতীয় পার্টি করেছেন।


    তাঁর পুত্র সাঈদ খোকনও কিংস পার্টি করেছেন। একেবারে বাপকা বেটা। দলবদল রাজনীতির খেলা। তবে আদর্শের প্রশ্নে নিন্দনীয়।

    দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যতিত অন্যান্য রাজনীতিক এবং আমলাদের দুর্নীতিবিরোধী কমিটমেন্ট প্রশ্ন সাপেক্ষ। অনেকেই দুর্নীতিগ্রস্ত। যারা দুর্নীতি করে তারা ফাঁকফোকর রাখে না সাধারণত।

    তারপরেও এদেশে দুর্নীতির কারণে কারোরই শাস্তি হচ্ছে না এমন নয়।


    সাইদ খোকন যখন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ছিলেন, নগরভবনে দুর্নীতি হয়েছে বলেই জনমনে ধারণা। মশা নিধনসহ বিভিন্ন খাতে দুর্নীতি হয়েছে বলে তখন বেশ আলোচনা-সমালোচনা হয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মালিকানাধীন মার্কেটগুলোতে নকশা বহির্ভূত দোকান বরাদ্দে অবৈধ লেনদেনেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। যতদূর জানা যায়, অদক্ষতা ও দুর্নীতির কারণে দ্বিতীয় মেয়াদে দলের মনোনয়ন দেয়া হয়নি সাঈদ খোকনকে।

    সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন থেকে অরাজনৈতিক আচরণ কাম্য নয়। তার আচরণ ও বক্তব্য-বিবৃতি শিষ্টতাবর্জিত। গত কয়েকদিন ধরে মাস্তানদের ভাষায় কথা বলেছেন তিনি। নিজের নামে দুর্নীতির মামলা হওয়ায় হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছেন হয়তো।

    তিনি বর্তমান মেয়র ফজলে নুর তাপসকে একটা সম্মানজনক সম্বোধনে কথা বলতে পারতেন। প্রতিপক্ষকেও সম্মান দিয়ে কথা বলতে হয় এটা হয়তো তিনি জানেন না।

    মেয়র ফজলে নুর তাপস দুর্নীতি করলে শুধু সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন কেনো, যে কোনো নাগরিক প্রশ্ন তুলতে পারেন। মেয়র বা কেউই জবাবদিহির বাইরে নয়। কিন্তু অভিযোগের জন্য ন্যূনতম তথ্য-প্রমাণ থাকতে হবে, গ্রাউন্ড থাকতে হবে। এই সময়ে গণকন্ঠের মতো কল্পিত কেচ্ছা-কাহিনী কেউ শুনতে চায় না। সাঈদ খোকন নিজের বক্তব্যেই তার অভিযোগের অসাড়তা, স্থূলতা দেখিয়ে গেছেন।


    সাঈদ খোকন একটি প্রোগ্রামে অভিযোগ করেছেন মেয়র ফজলে নুর তাপস সিটি কর্পোরেশনের টাকা মধুমতি ব্যাংকে স্থান্তরিত করেছেন। ঐ প্রোগ্রামে তিনি কাগজে লেখা নোট দেখে দেখে পড়েছেন।

    তখন সিক্কাটুলি পার্কের আষাঢ়ে গল্প না করে টাকা স্থান্তরের সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারতেন।


    স্মর্তব্য, এদেশে কেউ দুর্নীতি করলে সরাসরি ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা স্থানান্তর করে না। সিটি কর্পোরেশনের নামের অ্যাকাউন্টে যে কোনো ব্যাংকে টাকা এফডিআর করলে টাকা সিটি কর্রপোরেশনেরই থাকবে, কোনো ব্যক্তি সেই টাকার মালিক হতে পারবে না। আর মধুমতি ব্যাংক কোনো এনজিও নয়, ডেস্টিনি, ইভ্যালি বা মাল্টিপারপাস সমিতি নয় যে এখানে টাকা রাখলে গায়েব হয়ে যাবে।

    সাঈদ খোকনের হোমওয়ার্ক করে, রাজনীতি, সভ্যতা-ভব্যতা শিখেই মাঠে আসা উচিত, বক্তব্য বিবৃতি দেওয়া উচিত। তা না হলে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হতে পারেন।

    রেজা এনায়েত

    গবেষক, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ।

    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    শনি
    রোব
    সোম
    মঙ্গল
    বুধ
    বৃহ
    শুক্র

    সম্পাদক: দিদারুল ইসলাম
    প্রকাশক: আজিজুর রহমান মোল্লা
    মোবাইল নাম্বার: 01711121726
    Email: bartajogot24@gmail.com & info@bartajogot24.com