মঙ্গলবার, মার্চ ২, ২০২১

Facebook Twitter Instagram Linkedin Youtube

Logo

মনের মানুষকে ভালোবাসা নিবেদন করুন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : সোমবার, ০৮ ফেরুয়ারী, ২০২১, ১০:০৯
মনের মানুষকে ভালোবাসা নিবেদন করুন আজ
মনের মানুষকে ভালোবাসা নিবেদন করুন আজ

ভালোবাসি হয়নি বলা তবুও ভালোবাসি তোমায়। আপনি যাকে ভালোবাসেন তাকে আপনি বলতে পারছেন না কতটা ভালোবাসেন। কিন্তু তার সঙ্গে কাটানো প্রতিটি সময় আপনার হৃদয় আনন্দিত থাকে। তবে আপনার সেই মানুষটিকেও তো আপনার মনের কথা জানানো উচিত। হয়তো সেও আপনাকে ভালোবাসে কিন্তু আপনাকেও সেটা প্রকাশ করতে পারছে না।
ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুর প্রথম দিন অর্থাৎ আজ সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) 'বিশ্ব প্রপোজ ডে'। প্রতি বছর এই দিনে বিশ্বজুড়ে এই প্রপোজ ডে পালিত হয়ে আসছে। এই দিনটার জন্য হয়তো অনেকে অপেক্ষা করছেন যে তার ভালোবাসার মানুষকে মনের কথাটা বলে দেবেন। আর এখান থেকেই হয়তো শুরু হতে পারে আপনার নতুন জীবনের শুরু।

তাকে নিয়ে চলা শুরু হতে পারে আপনার বাকিটুকু পথ।
ভালোবাসি কথাটা অনেকেই মুখে বলতে পারেন না। আবার অনেক ক্ষেত্রে আছে ভালোবাসি কথাটা মুখে বললে সেটাও ভালোলাগে না। এ কারণে আপনার প্রিয়জন আপনার থেকে হয়তো ভিন্ন কিছু আশা করতে পারে। আর আপনিও চাইবেন আপনার প্রিয়জনের কাছে বিশেষ গুরুত্ব পেতে। এই গুরুত্ব পেতে যদি আপনি প্রিয়জনকে একটু ভিন্ন ভাবে প্রেম নিবেদন করেন তাহলে সেটি হবে আরো আনন্দের।
কীভাবে ভিন্নভাবে আপনার প্রিয়জনকে প্রেম নিবেদন করবেন চলুন দেখে নেওয়া যাক-
স্মৃতিচারণের মাঝে প্রপোজ: 
আপনার এবং আপনার সঙ্গীর স্মৃতিগুলোর একটি সংগ্রহ তৈরি করুন। তা হতে পারে কোনো ছবি বা অন্য যে কোনো স্মৃতি। এরপর তা সুন্দরভাবে একটি বাক্সের ভেতরে রাখুন।

প্রতিটি ছবির পেছনে একটি নোট লিখুন এবং সর্বশেষ নোট টিতে তাকে প্রপোজ করে ফেলুন।
প্রেমের কবিতা
আপনার ভালবাসার মানুষটি যদি সাহিত্যিপ্রেমী একজন হয়ে থাকে তবে এই কৌশল আপনার জন্য খুব কার্যকরী হবে। তাকে নিয়ে একটি কবিতা বা ছোট গল্প তৈরি করুন। আপনি যদি লেখক না হয়ে থাকেন চিন্তার কোন কারণ নেই। একটি পুরানো বইয়ের ভেতরে গর্ত করুন, একটি চিকুটে ভালবাসা বা বিয়ের প্রস্তাবটি লিখে ভেতরে রেখে দিন এবং তাকে বইটি থেকে একটি নির্দিষ্ট পৃষ্ঠা পড়তে বলুন। এতে সে প্রচণ্ড অবাক ও খুশি হয়ে ওঠবে।
ভালোবাসার গান গেয়ে প্রপোজ
ভালোবাসা প্রকাশের অন্যতম সেরা উপায় একটি প্রেমের গান গাওয়ার মাধ্যমে। বিশেষ করে যদি আপনি নিজে লিখেছেন এমন একটি গান গেয়ে তাকে প্রপোজ করেন, সে খুশিতে আত্মহারা হয়ে যাবে। আপনার গলা যতই বেসুরা হক না কেন, ৪টি লাইন তার জন্য গেয়ে ওঠলে সে প্রচণ্ড স্পেশাল বোধ করবে।


একটি অনলাইন প্রপোজ
আপনারা যদি এমন এক দম্পতি হয়ে থাকেন যারা প্রযুক্তি পছন্দ করে কিংবা দুজনে আলাদা আলাদা শহর বা দেশে বসবাস করছেন তবে এই পদ্ধতিতে প্রপোজ করতে পারেন। তাকে প্রস্তাব দেওয়ার জন্য একটি ইন্টারেক্টিভ ওয়েবসাইট তৈরি করুন এবং ওয়েবসাইটটির মাধ্যমে ভালোবাসার বা বিয়ের প্রস্তাবটি দিয়ে ফেলুন।
ধাঁধা সমাধানের মাঝে
আপনার প্রস্তাবটি কাস্টমাইজড একটি জিগস্যো (Jigsaw) ধাঁধাতে রাখুন। পুরো ধাঁধা শেষ করতে করতে আপনার প্রিয় মানুষটি বুঝে ফেলবে আপনার মনের কথা।
প্রেম নিবেদনের আগে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি, তা নিয়ে এই আয়োজন-
ব্যক্তিত্ব বজায়
নিজের ব্যক্তিত্বের বাইরে গিয়ে কিছু করতে যাবেন না। কোনো বন্ধু বা সেলিব্রিটির নকল না করে নিজের ব্যক্তিত্বসুলভ আচরণ করুন। 
জায়গা নির্বাচন
প্রিয়জনকে নিয়ে যেতে পারেন আপনাদের প্রথম দেখা হওয়ার স্থানটিতে। একটা সংক্ষিপ্ত স্মৃতিচারণের পর প্রপোজ করে ফেলুন। তা না পারলে এমন কোনো সুন্দর জায়গা নির্বাচন করুণ, যেখানে কোলাহল কম।


ক্যান্ডেল লাইট ডিনার
এটিই সবচেয়ে ভালো উপায়। ক্যান্ডেল লাইট ডিনারে মোমবাতির আলো-আধারি পরিবেশ, সেই সঙ্গে কোনো রোমান্টিক মিউজিক...সবচেয়ে ভালো হয়ে ২-১ ঘণ্টার জন্য কোনো রেস্টুরেন্টের একটা কর্নার যদি রিজার্ভ করে ফেলতে পারেন। এই রোমান্টিক পরিবেশে আপনার প্রিয়জন রাজি না হয়ে পারবেনই না!
চিঠি
চিঠির আবেদন সব সময়েই অমলিন। নীল খামে পাঠিয়ে দিন সেই সঙ্গে সুগন্ধী আর ফুলের পাপড়ি যোগ করতে ভুলবেন না।
আংটি
একটা সুন্দর আংটি কিনতে ভুলে যাবেন না। একটা নতুন সম্পর্ককে বাঁধার অদ্ভুত সুন্দর প্রতীক এই আংটি। প্রিয়জনের চোখ বন্ধ করতে বলুন। তার হাতে পরিয়ে দিন আংটিটি। তারপর চোখ খুলতে বলুন।

এবার তিন শব্দের কথাটি দেরি না করে বলে ফেলুন।
প্রপোজের ভাষা
প্রপোজের ভাষার ব্যাপারে সচেতন থাকুন। সরাসরি বলতে পারেন, “উইল ইউ ম্যারী মি?” অথবা “আমি তোমার হাতটা সারাজীবনের জন্যে ধরতে চাই”, “তুমি কী আমার জীবনসঙ্গিনী হবে?’, আপনার পছন্দমতো যে কোনো কিছুই হতে পারে। তবে খেয়াল রাখবেন, তা যেন মেয়েটির মন ছুঁয়ে যায়।
সময় নিন
প্রপোজ করার আগে সময় নিন। কথা বলুন, একসঙ্গে সময় কাটান ও সঙ্গিনীকে বুঝতে চেষ্টা করুন। যখন বুঝতে পারবেন আপনার প্রতি তার একটা সফট কর্নার তৈরি হয়েছে, তখনই প্রপোজ করুন। তার আগে নয়।

বার্তাজগৎ২৪ / এম এ


আরো পড়ুন:



দিনাজপুরে শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসায় পুলিশ মেমোরিয়াল ডে ২০২১' উদযাপন

এনামুল মবিন(সবুজ) দিনাজপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, মার্চ ২, ২০২১, ০২:০২
ফাইল ফটো

দিনাজপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পলিত হয়েছে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিধান, আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও জনগণের জানমাল রক্ষাকালে কর্তব্যরত অবস্থায় আত্মত্যাগকারী পুলিশ সদস্যদের বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করে দিনটি সারাদেশে পালন করা হয়। দিনাজপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বিপিএম, পিপিএম (বার) বলেছেন, আজকে আমরা যারা ব্যক্তিজীবন, ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিরাপদে ভোগ করছি এর পেছনে পুলিশের ব্যাপক অবদান রয়েছে। আমরা আমাদের সবকিছু দিয়ে চেষ্টা করি দেশের মানুষের সেবা করার । দেশের অপরাধ দুর্নীতিকে রুখতে আমরা বদ্ধপরিকর। তিনি আরো বলেন, পুলিশের চোখের পাতা কখনো এক হয় না।

পুলিশ সদস্যরা সারারাত জেগে থাকে এ দেশের সু-নাগরিকদের জন্য। করোনা কালে পুলিশ নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে সামনে থেকে কাজ করেছে। পুলিশের সদস্যরা নিজের জীবনকে বাজি রেখে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারীদের লাশ দাফন করেছে। করোনা রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। গতকাল সোমবার (১ মার্চ) দুপুরে জেলা পুলিশের আয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকালে কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের স্মরণে 'পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২১' উপলক্ষে পুলিশ লাইন্স হলরুমে আলোচনা সভায় কথাগুলো বলেন তিনি।
পুলিশ সদস্যদের পরিবারের যে কোন প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পুলিশের যেমন অগ্রণী ভুমিকা ছিলো, তেমনি এই স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য এবং দেশের উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নেয়ার জন্য পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি পুলিশ সদস্যদের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হয়ে দায়িত্বপালন করতে বলেন। পাশাপাশি সহকর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য উপস্থিত প্রত্যেক পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানান। এর আগে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন পুলিশ লাইন্স মাঠে দিবসটি উপলক্ষে কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উতস্বর্গকারী পুলিশ সদস্যদের স্মৃতির প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং গার্ড অব অনার প্রদান করেন। শেষে মৃত্যুবরণকারী পুলিশ সদস্যের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভা শেষে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তায় কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত জেলার ২৬ জন পুলিশ পরিবারের সদস্যদের হাতে সম্মাননা উপহার প্রদান করেন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এক প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। প্রীতিভোজ শেষে বিকেলে পুলিশ লাইন্স মাঠে পুলিশ সদস্যদের মাঝে প্রীতি ক্রিকেট ও ভলিবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, নিহত পুলিশ সদস্যদের স্বজনরা ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




পা‌য়ে বাঁশ বেঁধে খুঁড়ি‌য়ে হাঁট‌ছে ছোট্ট শিশু হা‌বিবা


প্রকাশিত: মঙ্গলবার, মার্চ ২, ২০২১, ০২:০৪
পায়ে বাঁশ বেঁধে হাঁটছে হাবিবা

জীবনে যে বসয়ে হাবিবার দৌড়ঝাঁপ করে বাড়ির উঠান মাতিয়ে রাখার কথা ছিল, অথচ সেই বয়সে তাকে হাটতে হচ্ছে পায়ে বাঁশ বেঁধে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। তিন বছর বয়স থেকেই পায়ে বাঁশ বেঁধে কষ্ট করে হাটছে হাবিবা নামের এই শিশুটি। বলছিলাম কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার ৬ বছরের শিশু হাবিবার কথা৷

এক‌টি দুর্ঘটনা থা‌মি‌য়ে দি‌য়ে‌ছে শিশু‌টির জীব‌নের গ‌তি। শিশুটির যথাযথ চিকিৎসা করাতে না পেরেও পরিবারের কষ্টের শেষ নেই। তা‌কে নি‌য়ে চরম হতাশায় প‌রিবার। এমনকি সামান্য কিছু টাকার অভা‌বে কৃ‌ত্রিম পা লাগা‌তে পার‌ছেন না বাবা-মা।

জানা যায়, কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার বাদলা ইউনিয়নের বাদলা গ্রামের নুরুল আমিনের মে‌য়ে হা‌বিবা। বাবা রিকসা চা‌লি‌য়ে প‌রিবা‌রের ভরন‌পোষণ চালান।

হাবিবার বয়স তখন তিন বছর। নানীর সাথে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় চড়ে কিশোরগঞ্জ যাচ্ছিল। এ সময় সড়ক দুর্ঘটনায় হাবিবার এক পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সেই থে‌কে শুরু কষ্টের জীবনের সাথে হাবিবার জীবনে নতুন এক কষ্টের যোগ হয়। হাবিবার বাম পায়ের সঙ্গী যেন এক চিল‌তে বাঁশ।

স্বাভাবিকভাবে চলতে শিশু হাবিবার এক‌টি কৃত্রিম পা দরকার। খুব বে‌শি টাকার ব্যাপার না। ৩০ থে‌কে ৪০ হাজার টাকা। কিন্তু হা‌বিবার প‌রিবা‌রের কা‌ছে এটাই অ‌নেক বড় বোঝা। ত‌বে বাবা-মা স্বপ্ন দে‌খেন তা‌দের প্রিয় সন্তা‌নের পা‌শে কেউ না কেউ দাঁড়া‌বে। আবার ‌কিছুটা স্বাভা‌বিকভা‌বে হাঁট‌বে  ৬ বছ‌রের এক মাত্র সন্তান হা‌বিবা।

শিশু হাবিবা জানায়, বাঁশ বেঁ‌ধে হাঁটতে তার অনেক কষ্ট হয়। সবার মন চায় হাঁট‌তে, খেল‌তে। স্কু‌লে যাই‌তে। ত‌বে পা‌রিনা। 

হাবিবার বাবা নুরুল আমিন জানান, রিকশা চা‌লি‌য়ে কোনম‌তে সংসার চালাই। মে‌য়ের চি‌কিৎসার টাকা পা‌বো কেম‌নে। ‌মে‌য়ের চি‌কিৎসা ও এক‌টি পা লাগা‌তে পার‌লে মে‌য়েটা একটু শা‌ন্তি পেত।

ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অতিশ দাস রাজীব জানান, আজ সোমবার (১ মার্চ) শিশু হাবিবাকে নি‌য়ে হাসপাতা‌লে এস‌েছিল মে‌য়ে‌টির বাবা। তার পায়ের অবস্থা দেখে‌ছি। মে‌য়ে‌টির জন্য সম্ভাব্য সব ধর‌নের সহ‌যো‌গিতা দেয়া হ‌বে হাসপাতাল থে‌কে। 

তি‌নি জানান, হা‌বিবার পা‌য়ের বাঁশ খু‌লে আপাতত প্লাস্টি‌কের এক‌টি শেল্টার লা‌গি‌য়ে দেয়া হ‌চ্ছে। কৃ‌ত্রিম পা লাগা‌নোর বিষ‌য়ে ঢাকা মে‌ডি‌কেলসহ বি‌শেষজ্ঞ‌দের সাথে যোগা‌যোগ কর‌ছি। সূত্র: সময় সংবাদ




জীবন প্রবাহ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
Logo

সম্পাদক: দিদারুল ইসলাম
প্রকাশক: আজিজুর রহমান মোল্লা
মোবাইল নাম্বার: 01711121726
Email: bartajogot24@gmail.com & info@bartajogot24.com