• বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১ , ২ বৈশাখ ১৪২৮
  • আর্কাইভ

বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১ , ২ বৈশাখ ১৪২৮

স্কুল-কলেজ খোলার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সিদ্ধান্ত 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত :সোমবার, ফেব্রুয়ারী ২২, ২০২১, ০৩:১৮

  • সংগৃহীত

    করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। চলমান অবস্থায় স্কুল-কলেজ খোলার বিষয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলমান ছুটির পর জানানো হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এই তথ্য দেন তিনি।  



    এর আগে করোনার কারণে এক বছর ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পর এখন তা খুলবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ তথ্য জানান। আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক করে শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।


    এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি মন্ত্রিসভা বৈঠক হয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।


    এদিকে সোমবার পূর্বনির্ধারিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, করোনাকালে উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী অনলাইন সংবাদ সম্মেলন করবেন। সোমবার দুপুর ২টায় এ সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।



    গত ২২ জানুয়ারি করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে গাইডলাইন প্রকাশ করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর। এ গাইডলাইন অনুসরণ করে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়। স্কুল-কলেজগুলোতে ৩৯ পাতার গাইডলাইন পাঠিয়ে বলা হয়, ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে স্কুলগুলো প্রস্তুত করে রাখতে, যাতে যে কোনো মুহূর্তে সেগুলো খুলে দেয়া যেতে পারে।


    উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে গোটা বিশ্বকে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের এই প্রতিকূল স্রোতের মুখোমুখি বাংলাদেশও। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মতো বাংলাদেশের জন্য আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে শিক্ষা খাত। প্রায় ১২ মাস ধরে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। কিছু ক্ষেত্রে অনলাইনে কার্যক্রম চলমান। তবে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম কতটা ফলপ্রসূ হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।


    পরিস্থিতি বিবেচনায় চলতি বছর উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় অটো প্রমোশন বা অটোপাস ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষাও। এবার করোনার ঢেউয়ের মুখে ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা।
    দেশে করোনা পরিস্থিতি বলা যায় আগের মতোই। প্রতিদিন মৃত্যু ও শনাক্তের শঙ্কা উঠানামা করছে। অন্যদিকে দরজায় কড়া নাড়ছে এসএসসি ২১ ব্যাচের পরীক্ষার সময়। গত বছর এসএসসি ২০২০ ব্যাচের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ফেব্রুয়ারিতে। এ বছর ফেব্রুয়ারি চলছে। কিন্তু এর মধ্যে পরীক্ষা নেওয়ার বা দেওয়ার মতো কোনো প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে করোনার ভয় রয়েছে। ফলে তড়িঘড়ি পরীক্ষা দিতে অনাগ্রহী শিক্ষার্থীরা।

    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    শনি
    রোব
    সোম
    মঙ্গল
    বুধ
    বৃহ
    শুক্র

    সম্পাদক: দিদারুল ইসলাম
    প্রকাশক: আজিজুর রহমান মোল্লা
    মোবাইল নাম্বার: 01711121726
    Email: bartajogot24@gmail.com & info@bartajogot24.com