• মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১ , ১১ শ্রাবণ ১৪২৮
  • আর্কাইভ

মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১ , ১১ শ্রাবণ ১৪২৮

নতুন স্মারক ডাকটিকেট উদ্বোধন হলো বঙ্গবন্ধু উপাধির ৫২তম বর্ষে

বার্তাজগত২৪ডেস্ক
প্রকাশিত :মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২১, ০৪:৩৬

মোস্তাফা জব্বার

শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি প্রদানের ৫২ বছর পূর্তি উপলক্ষে তার স্মরণে স্মারক ডাকটিকেট অবমুক্ত করা হয়েছে।


 আজ মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার তার দফতরে এ বিষয়ে ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকেট ও ১০ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম অবমুক্ত করেন। এছাড়া  একটি ডাটাকার্ড উদ্বোধন করা হয়।

এ স্মারক ডাকটিকেট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটাকার্ড মঙ্গলবার থেকে ঢাকা জিপিও’র ফিলাটেলিক ব্যুরো এবং পরে দেশের অন্যান্য জিপিও এবং প্রধান ডাকঘর থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

এ উদ্বোবধনী মুহূর্তে মন্ত্রী এ সংক্রান্ত একটি সিলমোহর ব্যবহার করেন এবং এ বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রদান করেন।।


১৯৬৯ সালের এই দিনে বাঙালির অবিসংবাদিত এই, বাঙালি জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে "বঙ্গবন্ধু" উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

এক বিবৃতিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাঙালিজাতির হাজার বছরের ইতিহাসের মহানায়ক। তার ২৩ বছরের আপসহীন সংগ্রামের কঠিন পথ বেয়ে বাংলাদেশনামের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে বিস্ময়কর নেতৃত্বের বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এই মহান নেতা। বাংলার স্বাধীনতার পেছনে রয়েছে জনগণের মুক্তির জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৩ বছর পাকিস্তানের জেলে থাকার ঘটনা। আছে অনেক ত্যাগ। বিশ্বের আর কোনও নেতা জনগণের জন্যে এত ত্যাগ স্বীকার করেননি।
 
৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে থাকা ছাত্রলীগের লড়াকু সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলার নয়নমণি, বঙ্গশার্দুল, অবিসংবাদিত নেতা, বাঙালির মুক্তিদাতাসহ আরো বিভিন্ন  নামে ভূষিত করা হলেও অপূর্ণ ছিল জাতির পিতার উপাধি। আর সে অপূর্ণতা পূরণ হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে। আর ইতিহাস হয়ে গেল সেদিনের তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আয়োজিত গণসংবর্ধনা সমাবেশ। যে মানুষটি শুধুমাত্র পূর্ব বাংলার মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা, স্বাধিকারের জন্য তার জীবনের মূল্যবান গুরুত্বপূর্ণ সময় জেলে কাটিয়েছেন; অকুতোভয় যার প্রতিটি উচ্চারণ, তাকে গণউপাধিতে ভূষিত করার বিষয় সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ঐতিহাসিক কারণেও উপাধি দেয়া ছিল ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদের কর্তব্য। সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আলোচনা করে  আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল শেখ মুজিবুর রহমানকে নতুন উপাধিতে ভূষিত করার। আগরতলা মামলা থেকে মুক্তির পর রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমানকে দেয়া হয় গণ সংবর্ধনা।  সে গণসংবর্ধনায় দশ লাখেরও বেশি মানুষের উপস্থিতিতে তৎকালীন ডাকসুর ভিপি ও সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি তোফায়েল আহমেদ ঘোষণা করেন ‘আজ থেকে তিনি আমাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’।

মন্ত্রী আরো বলেন, শেখ মুজিব যখন বঙ্গবন্ধু তখন তিনি হয়ে ওঠেন বাংলার প্রকৃতির বন্ধু, বাংলার ভাষা কৃষ্টি সংস্কৃতির বন্ধু, বাঙালি জাতীয়তাবাদের বন্ধু, জাতীয়তাবোধের বন্ধু, মুক্তি সংগ্রামের বন্ধু সুতরাং একমাত্র শেখ মুজিবুর রহমানই ‘বঙ্গবন্ধু’।

/বার্তাজগত২৪ _এস বি

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র

সম্পাদক: দিদারুল ইসলাম
প্রকাশক: আজিজুর রহমান মোল্লা
মোবাইল নাম্বার: 01711121726
Email: bartajogot24@gmail.com & info@bartajogot24.com