মঙ্গলবার, মার্চ ৯, ২০২১

Facebook Twitter Instagram Linkedin Youtube

Logo

অপরাজনীতি অসৌজন্যমূলক আচরণকে বুঝবার শিষ্টতা

ফেসবুকের পাতা থেকে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ০৫ জানুয়ারী, ২০২১, ০৮:১৪
অপরাজনীতি অসৌজন্যমূলক আচরণকে বুঝবার শিষ্টতা
অপরাজনীতি অসৌজন্যমূলক আচরণকে বুঝবার শিষ্টতা

লেখাটি শেষ পর্যন্ত কার পক্ষে বা বিপক্ষে যাবে সেটা বড় কথা নয়, বড় কথা হচ্ছে- অপরাজনীতি অসৌজন্যমূলক আচরণকে বুঝবার শিষ্টতা।

বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন- 'দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন'। এই উক্তির প্রেক্ষাপট অরাজনৈতিক ছিল না। বরং অপরাজনীতি বিরুদ্ধে একটা রাজনৈতিক হুংকার ছিল।

এবার আসি মূল কথায়-
গত কয়েকদিন আগে আমরা কয়েকজন মিলে উদ্যানের কোনে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুনের তাপ নিচ্ছিলাম। উল্লেখ্য যে, উপস্থিত আমাদের সবাই আওয়ামী ঘরানার পরিক্ষিত নির্মোহ একেকজন কর্মী মাত্র; যদিও এখন কেউ সক্রিয় ভাবে রাজনীতিতে জড়িত নয়।

আগুন নিয়ে গোল হয়ে সবাই দাঁড়িয়ে বসে আগুন পোহাচ্ছিলাম আর নানান খোস গল্প হচ্ছিল। অদূরে আরেক দল যুবক একই কাজে লিপ্ত ছিলো। আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম- হঠাৎ আমার পেছনে একটা হাতের টোকা পেলাম, ঘাড় ঘুড়িয়ে দেখি এক অপরিচিত যুবক দাঁড়িয়ে, সে হাতের ইশারায় পার্শ্ববর্তী দলটিকে দেখিয়ে আমাকে বললো- ওখানে আপনাকে ডাকছে।

আরো পড়ুন: ১০ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ অপু

আমি মনে মনে খানিকটা বিব্রত ও রাগান্বিত হয়েছিলাম, কারণ এক অপরিচিত যুবক পেছন থেকে ঘাড়ে টোকা দিয়ে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করায়। এটা কি ধরণের শিষ্টাচার!

লক্ষ্য করলাম উপস্থিত আমাদের সবার চোখে কিঞ্চিৎ উদবিঘ্নতা। সবাই চুপ। আমি যুবকটির মুখোমুখি হয়ে জিজ্ঞেস করলাম- তুমি কি আমাকে চেনো? ওখানে কে বা কারা আমাকে ডাকছে, ভুল হচ্ছে না তো তোমার? যুবকটি পুনরায় বললো- না আপনাকে চিনি না, তবে আপনাকেই ডাকছে।

ঠিক এমন সময় পার্শ্ববর্তী আগুন তাপানো দল থেকে এক ক্ষীণ দেহী যুবক হাত তুলে বললো- আসেন আসেন আপনাকে ডাকছি, একটা গান শুনতে চাই আপনার কন্ঠে, আপনি খুব ভালো গান করেন, কথাগুলো বলতে বলতে সে এগিয়ে এলো আমাদের কাছে, এবং এসে সে আমাদের সাথে দাঁড়িয়ে থাকা এক ছোট ভাইয়ের হাত ধরে আবারও বললো- চলেন আপনার একটা গান শুনবো। বিষয়টা এতক্ষণে কিছুটা পরিস্কার হলো যে, আমাকে তারা ডাকেনি। কিন্তু যাকে ডাকেছে সে-ও চল্লিশ ঊর্ধ বয়সের। আমি লক্ষ্য করলাম, গাতক ভাইটিও বেশ বিব্রত হয়েছে এমন আহবানে, এবং শরীর খারাপের অযুহাত দিয়ে সে গান গাইতে অপারগতা প্রকাশ করে। যদিও তাকে কেউ গান গাইতে অনুরোধ করলে, কখনো সে উপেক্ষা করে না।

আরো পড়ুন: স্টার সিনেপ্লেক্সে চলছে ‘মিসবিহেভিয়ার’

যে বিষয়টি আমার কাছে অত্যন্ত দুঃখজনক মনে হয়েছে সেটি হচ্ছে- পার্শ্ববর্তী দলের যুবকদের আহবানের এ্যাটিচুড। অন্তত কোনো সিনিয়র বা সিনিয়র সিটিজেন এরকম এগ্রেসিভ এ্যাটিচুড আশা করে না জুনিয়র কারোর থেকে।

কথাবার্তার এক পর্যায়ে যুবকটি আমাদের উদ্দেশ্য বললো- আপনারা তো ক্যাম্পাসের এক্স ভাই-ব্রাদার। এবং পরে জেনেছি আমাদের পার্শ্ববর্তী আগুন তাপানো দলটি ক্যাম্পাসের ছাত্রলীগ কর্মী। খানিক বাদে বিষণ্ণ চিত্তে উদ্যান ত্যাগ করি আমরা।

আরও অবাক হয়েছি যে, উপস্থিত আমাদের দলের সবাই ছিলো চুপচাপ! এ যেন অসৌজন্যমূলক দাম্ভিকতাকে মেনে নেওয়ার অপপ্রয়াস।

বিগত দশক ধ'রে দলের ঊর্ধ্বতন দূরদর্শিতাকে দোষারোপ করে অসামাজিকতা, অসৌজন্যমূলক, শিষ্টাচার বহির্ভূত অরাজনৈতিকতাকে নিরবে মেনে নেওয়া যেন সিনিয়রদের এক অক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ! অথচ ৮০/৯০ দশ পর্যন্ত এসব অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ দেখতে হয়নি।

আমার বন্ধু তালিকায় অনেক ছাত্রলীগের নেতাকর্মী আছেন, তাদের কাছে প্রশ্ন- আপনারা যখন সিনিয়র হয়ে যাবেন, তখন কি জুনিয়র নেতাকর্মীদের নিকটে এমন আচরণ আশা করবেন?

বাংলাদেশের যেকোনো রাজনৈতিক দলের কাছে সাধারণ মানুষজন এমনকি দলীয় সিনিয়রেরা অন্তত সামান্য শিষ্টাচার অবশ্যই আশা করেন।

বার্তাজগৎ২৪ / এম এ


আরো পড়ুন:



পশ্চিমবঙ্গের সুপ্রাচীন ঐতিহ্য 'হুগলি ইমামবাড়া'

বার্তাজগত২৪ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, মার্চ ৯, ২০২১, ০১:২৩
হুগলি ইমামবাড়া

হুগলি ইমামবাড়া পশ্চিমবঙ্গের একটি সুপ্রাচীন ঐতিহ্য। এটির উন্মুক্ত এবং প্রশস্ত উঠোন, বিশাল বিশাল করিডোর এবং জাঁকজমকপূর্ণ ওয়াচ টাওয়ার, স্মৃতিস্তম্ভ এটার জাঁকজমকপূর্ণ স্থাপত্য এবং অভূতপূর্ব বৈশিষ্ট্যর প্রমাণ দেয়। উনিশ শতকে নির্মিত ইমামবাড়াটি কেবলমাত্র মুসলিম অনুসারীদের জন্যই নয়, অন্যান্য ধর্মের লোকদের জন্যও একটি পবিত্র স্থান হিসেবে পরিচিত।

ইমামবাড়া কী?

ইমামবাড়া হল শিয়া মুসলমানদের স্মরণ অনুষ্ঠানের জন্য একটি মণ্ডলীর হল যার সাথে মোহররমের স্মৃতি জড়িয়ে আছে। এই ইমামবাড়াকে কোনোভাবেই মসজিদ বলা যাবে না, তার থেকে বলা ভালো যে, ইমামবাড়া হলো সমস্ত মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের উপাসনা স্থান। প্রকৃতপক্ষে, ইমামবাড়া নামটি এসেছে ইসলামিক শব্দ হুসেনিয়া থেকে যা ৬৮০ খ্রিস্টাব্দে কারবালার যুদ্ধে নিহত মোহাম্মদের নাতি হুসেন ইবনে আলীর নাম থেকে ব্যুৎপত্তিগতভাবে তৈরি হয়েছে।

হুগলি ইমামবাড়ার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:

এই দুর্দান্ত স্মৃতিসৌধটি তার সুন্দর অলঙ্কৃত নকশা এবং তার বিশাল স্থাপত্যের মাধ্যমে যে কাউকে বিস্মৃত করতে বাধ্য। তবে এটা জেনে রাখা ভালো যে, ইমামবাড়ার তৈরীর শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি। হুগলি ইমামবাড়াটি ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে মোহাম্মদ আগা মোতাহার নামে এক বিশিষ্ট পার্সিয়ান বণিক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি আঠারো শতকের গোড়ার দিকে হুগলি নদীর তীরে এসে লবণের ব্যবসা শুরু করেছিলেন। তিনি তাঁর পরিবারের সাথে বাকী জীবন কাটানোর উদ্দেশ্য নিয়ে আজ যেখানে ইমামবাড়া অবস্থিত সেখানে তাঁর বাসস্থানটি তৈরি করেছিলেন। ধনী ব্যক্তি হওয়ায় তিনি প্রচুর পরিচারকের সেবা উপভোগ করেছিলেন। তবে তিনি প্রচুর ধন সম্পদের মালিক হয়েও, তাঁর পারিবারিক জীবন সুখের ছিল না। তাই তিনি তাঁর প্রিয় গৃহকে একাকী সর্বশক্তিমান “আল্লাহ” কে উৎসর্গ করেছিলেন এবং স্থানটির নামকরণ করেছিলেন “নজরগাহ হোসেইন”। ১৭৩৫ সালে, তার জামাতা মির্জা সালেহ-উদ্দিন এতে আরও একটি বিল্ডিং যুক্ত করেছিলেন। এই নতুন বিল্ডিংটির নাম দেওয়া হয়েছিলেন "তাজিয়া খানা"। সম্ভবত এখানেই তাজিয়া রাখা হয়েছিল।

বর্তমানের ইমামবাড়ার কোনও পুরোনোটির সাথে কোনও যোগাযোগ নেই। বাস্তবে এটি হাজী মোঃ মহসিনের পৃষ্ঠপোষকতায় পুরোনো ইমামবাড়ার ধ্বংসাবশেষের উপর নির্মিত হয়েছিল। একজন উল্লেখযোগ্য পরোপকারী হাজী মোঃ মহসিন ১৭৩২ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং মোঃ আগা মোতাহার একমাত্র উত্তরাধিকারী হিসাবে নিঃসন্তান দম্পতি মান্নু জান খানম এবং মির্জা সালেহ-উদ মোতাহার সম্পূর্ণ সম্পত্তি দখল করেছিলেন। মোঃ মহসিন ছিলেন নিঃসন্তান ও পরোপকারী মানুষ। তিনি স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের ব্যবহারের জন্য পুরো সম্পত্তি দান করেছিলেন। তবে ঘটনাচক্রে খুব খারাপ সময়ে মোঃ মহসিন ২৯ শে নভেম্বর, ১৮১৩ সালে এ ইমামবাড়াটি শেষ হওয়ার আগেই শেষ হয়ে গেলেন। মহসিন ইমামবাড়া নির্মাণের জন্য একটি মুতাওয়ালীর (মুসলিম মাজার দেখাশোনার জন্য নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক বা সরকারী ট্রাস্টি) ব্যবস্থা করেছিলেন। তবে মুতাওয়ালীরা হাজী মহসিনের পথ অনুসরণ করেনি এবং তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সম্পদ বিচ্যুত করার অভিযোগ আনা হয়েছিল। এরকম ভাবে বেশ কিছুদিন চলার পর শেষ পর্যন্ত সরকার ইমামবাড়ার দায়িত্ব গ্রহণ করে। ১৮৩৪ সালে সৈয়দ কেরামত আলী নামে একজন আভিজাত্য মুতাওয়ালীর পদে নিযুক্ত হন। কেরামত আলী ছিলেন বিজ্ঞান ও জ্যামিতিতে গভীর জ্ঞান সম্পন্ন এক বহুমুখী প্রতিভাবান মানুষ। তাঁর অধীনেই হুগলি ইমামবাড়াটি শেষ পর্যন্ত নির্মিত হয়েছিল। হাশমত আলীর হাজী মহসিনের জীবনী অনুসারে, ইমামবাড়াটি ৮,৫০,০০০ / - টাকা ব্যয়ে নির্মিত হতে ১৮৪১ থেকে ১৮৬১ সাল পর্যন্ত বিশ বছর সময় লেগেছে। ১৮৭৫ সালে তাঁর মৃত্যুর আগে সৈয়দ কেরামত আলী নবাব আমির আলীর জ্যেষ্ঠ পুত্র মৌলভী সৈয়দ আশরাফ উদ্দিনের হাতে এই ক্ষমতা হস্তান্তর করে দেন ।

স্থাপত্য:

ইমামবাড়া আক্ষরিক অর্থে ফেরেশতাদের আবাস (‘ইমাম’ অর্থ ফেরেশতাদের এবং ‘বাড়া’ অর্থ আবাস) । হুগলি ইমামবাড়ার খোলা উঠোনের সাথে প্রবেশদ্বারটি সম্পূর্ণ ভাবে যুক্ত। উঠোনের মাঝখানে একটি আয়তক্ষেত্রাকার ট্যাঙ্ক রয়েছে যা সুন্দর ফোয়ারা দ্বারা সজ্জিত। এটা বিশ্বাস করা হয় যে ফোয়ারার সাথে নদীর একটি ভূগর্ভস্থ সংযোগ রাখা আছে। উঠোনটি দুইতলা বিশিষ্ট বিল্ডিংএর লম্বা করিডোরের সাথে যুক্ত এবং বিল্ডিং টিতে অসংখ্য কক্ষ রয়েছে। এগুলি এখন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য শ্রেণীকক্ষ হিসাবে এবং নানা সরকারি কাজে ব্যবহার হয়। উঠানের ঠিক সামনে ইমামবাড়ার প্রধান প্রার্থনা হল জারিদলান। জারিদালানের অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্য দেখার মতন। এই বিল্ডিং এ কালো এবং সাদা চেকার্ড মার্বেল ফ্লোর বিছানো রয়েছে যা মনকে শান্ত করে দেয়। এই ঘরের দেয়ালগুলি ‘হাদিস’ থেকে বর্ণিত রেখাগুলি দিয়ে আবৃত, ( হাদিস হলো হযরত মোহাম্মদের বচন)। এখানের কক্ষগুলি ছাদ থেকে ঝুলন্ত বেলজিয়াম কাঁচের তৈরি লণ্ঠন এবং ঝাড়বাতি দ্বারা সজ্জিত। ইমামবাড়ার দেয়ালে ইসলামিক ক্যালিগ্রাফি রয়েছে। প্রার্থনা হলের অভ্যন্তরে ইমামের সাত তারাযুক্ত সিংহাসন রয়েছে সেখান থেকে তিনি তাঁর বক্তৃতা দেন । উভয় পক্ষের বারান্দায় মহিলাদের জন্য একটি দুর্দান্ত বসার ব্যবস্থা রয়েছে। প্রার্থনা হলের শেষেই পাঁচটি তাজিয়াকে রাখা হয়েছে।

হুগলি ইমামবাড়ার গ্র্যান্ড ক্লক টাওয়ার:

ক্লক টাওয়ারটি ইমামবাড়ায় আরও একটি দর্শনীয় আশ্চর্য। ঘড়িটি ইমামবাড়ার দ্বারপ্রান্তে নির্মিত দু'টি টাওয়ারের মাঝখানে স্থাপন করা হয়েছিল। মনে করা হয় প্রতিটি টাওয়ার প্রায় ১৫০ ফুট উঁচু এবং প্রতি টাওয়ারে যেতে ১৫০ টি সিঁড়ি অতিক্রম করতে হয়। টাওয়ারগুলির দুপাশে রাখা দুটি ডায়াল সহ বিশাল ঘড়িটি একটি একক কেন্দ্রীয় মেশিন দ্বারা চালিত হয় এবং আজ অবধি পুরোপুরি কাজ করছে। ঘড়িটিতে সপ্তাহে একবার দম দিতে হয়। বলা হয় যে, দুটি ব্যক্তির ঘড়ির চাবিটি বহন করা প্রয়োজন; এবং তা হবে নাই বা কেন, চাবিটি নিজেই ২০ কেজি ওজনের। কেন্দ্রীয় ইউনিটের ঠিক উপরে, বিভিন্ন আকারের তিনটি ঘন্টা যাদের ওজন প্রায় ৩২০৯ কেজি, ১৬০০ কেজি এবং ১২০০ কেজি বসানো আছে। ছোট এবং মাঝারি আকারের ঘণ্টাগুলি প্রতি ১৫ মিনিটে এবং প্রতিটি এক ঘন্টা পরে বাজতে থাকে। দক্ষিণ টাওয়ারটি পুরুষদের জন্য এবং উত্তর টাওয়ারটি মহিলাদের প্রবেশের জন্য। টাওয়ারগুলির সব থেকে উপরের তলা থেকে আশেপাশের অঞ্চল এবং গঙ্গা নদীর একটি দর্শনীয় দৃশ্য উপভোগ করা যায়। ঘড়িটি শুরু থেকে এখনও সঠিক সময় দেয় এবং যেন নীরবে নদীর প্রবাহ পর্যবেক্ষণ করতে থাকে। ক্লক টাওয়ার বা ঘোরি ঘোড়ের দৈত্যাকার ঘড়িটি মেসার্স ব্ল্যাক অ্যান্ড হুরায় কোং দ্বারা তৈরি হয়েছিল যে কোম্পানিটি লন্ডনের অবস্তেহিত এবং ১৮৫২ সালে এর দাম পড়েছিল ১১৭২১ টাকা.

সান ডায়াল:

ইমামবাড়ার পিছনের দিকে খোলা উঠোনে একটি সানডিয়াল রয়েছে। এটিতে একটিই স্থির ডায়াল রয়েছে যেটি একটি কংক্রিটের টেবিলের উপর রাখা যা ভোর থেকে সন্ধ্যা অবধি সঠিক সময় নির্দেশ করে এবং সবথেকে আশ্চর্যের ঘটনা হলো এটিও এখন ও একদম সঠিক সময় দেখায় তবে সেটা শুধুমাত্র ভোরবেলা থেকে সন্ধ্যেবেলা পর্যন্তই।

হাজী মোহাম্মদ মোশিনের সর্বশেষ উইল ও উইল:

বাড়ির উঠোনে, হাজী মোহাম্মদ মোশিনের শেষ উইলটি প্রাচীরের উপর ইংরেজী এবং আরবিতে খোদাই করা আছে। সমস্ত ইতিহাসবিদদের জন্য, এটি দেখার জন্য দুর্দান্ত প্রাপ্তি। বলে রাখা ভালো যে, খ্যাতিমান হুগলি মহসিন কলেজের প্রতিষ্ঠাতাও হাজী মোহাম্মদ মহসিন। কিছুটা সময় শান্তভাবে কাটানোর জন্য হুগলি ইমামবাড়া একটি দুর্দান্ত জায়গা। এটি একটি জায়গা যেখানে প্রকৃতির পাশাপাশি আর্কিটেকচারের বিস্ময়কর জিনিসগুলিও দেখে নেওয়া যায় আর তার সাথে হুগলি নদীর পাশে বসে সূর্যাস্ত দেখার অভিজ্ঞতাও হয়ে যাবে ।সামগ্রিকভাবে ইমামবাড়া পরিদর্শন একটি পরিপূর্ণ অভিজ্ঞতা হতে পারে। তবে হুগলি ইমামবাড়ারড় যথাযথ দেখাশোনা করা দরকার। ফোয়ারাটি কাজ করছে না এবং পুরো জায়গাটি অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করলে জায়গাটি আরও ভাল জায়গায় পরিবর্তন হয়ে যাবে এবং আরও পর্যটকদের আকর্ষণ করতে পারবে বলে আশা করা যায়।
 




মারা গেছেন জনপ্রিয় নায়ক শাহীন আলম

বার্তাজগৎ২৪ ডেস্ক:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, মার্চ ৯, ২০২১, ১২:৪৮
চিত্রনায়ক শাহীন আলম (ছবি)

এক সময়ের বাংলা ছবির জনপ্রিয় অভিনেতা নায়ক শাহীন আলম মারা গেছেন। কিডনিজনিত জটিলতায় তিনি সোমবার রাত ১০টা ৫ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। গত ৬ মার্চ থেকে তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

শাহীন আলমের ছেলে ফাহিম নূরে আলম তার মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

শাহীন আলম ১৯৮৬ সালে এফডিসির নতুন মুখের সন্ধানের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আসেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে আছে- ঘাটের মাঝি, এক পলকে, গরিবের সংসার, তেজী, চাঁদাবাজ, প্রেম প্রতিশোধ, টাইগার, রাগ-অনুরাগ, দাগী সন্তান, বাঘা-বাঘিনী, আলিফ লায়লা, স্বপ্নের নায়ক, আঞ্জুমান, অজানা শত্রু, দেশদ্রোহী, প্রেম দিওয়ানা, আমার মা, পাগলা বাবুল, শক্তির লড়াই, দলপতি, পাপী সন্তান, ঢাকাইয়া মাস্তান, বিগবস, বাবা ও বাঘের বাচ্চা।




ফেসবুক পাতা থেকে বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
Logo

সম্পাদক: দিদারুল ইসলাম
প্রকাশক: আজিজুর রহমান মোল্লা
মোবাইল নাম্বার: 01711121726
Email: bartajogot24@gmail.com & info@bartajogot24.com