মঙ্গলবার, মার্চ ২, ২০২১

Facebook Twitter Instagram Linkedin Youtube

Logo

২০৩ জন সিনিয়র অফিসারে নিয়োগ পাচ্ছেন ৮ ব্যাংকে

বার্তাজগৎ২৪ ডেস্ক:
প্রকাশিত : বুধবার, ০৩ ফেরুয়ারী, ২০২১, ০৯:১০
২০৩ জন সিনিয়র অফিসারে নিয়োগ পাচ্ছেন ৮ ব্যাংকে
২০৩ জন সিনিয়র অফিসারে নিয়োগ পাচ্ছেন ৮ ব্যাংকে

বাংলাদেশ ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত ৬ ব্যাংক এবং ২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সমন্বিত/একক পরীক্ষার মাধ্যমে ‘ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা (সাধারণ)/সিনিয়র অফিসার’ পদের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। আজ বুধবার ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির একটি  বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্যানেল থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০৩ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে ৬ ব্যাংক এবং ২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য। 

প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে সোনালী ব্যাংক লিমিটেডে ২৮, জনতা ব্যাংক লিমিটেডে ৬৭, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে ৬২, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডে ৩, কর্মসংস্থান ব্যাংকে ৩২, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে ৭ এবং বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনে ৪ জন সিনিয়র অফিসার হিসেবে নিয়োগ পাবেন।

১ হাজার ২২৯টি শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সমন্বয়ে প্রণীত প্যানেল থেকে বুধবার দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০৩ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

আরো পড়ুন: সোনালী–জনতা ব্যাংকে চাকরি পেলেন ১৫৭ জন - বার্তাজগৎ২৪

সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
১০২৩৮৫, ১১৮৯৬৯, ১২৫৩০৪, ১২৯২৫৮, ১৫২৬৪০, ১৫৯৪৬০, ১৭৫৩৪৬, ১৭৭৫০০, ১৭৭৫১২, ১৯৫৩৫৯, ১৯৬১৯৩, ২০৫৭৯৫, ২২১৭০৬, ২২৯১৪৭, ২৩৭০৯২, ২৪২৬১০, ২৪৭০২১, ২৪৮৫৮২, ২৫৭৫৯৪, ২৬০৩৯৫, ২৬৯৬৯৯, ২৯৫৭২১, ২৯৯৫২৬, ৩১০১০৪, ৩২৭১২৭, ৩৪২৩৩৯, ৩৫৪৪৪৩ ও ৩৬৬৪৫২=২৮ জন।

জনতা ব্যাংক লিমিটেড
১০০৫০৭, ১১০২২৬, ১১২১৬৬, ১১৭০৯৮, ১১৮১৬২, ১২৭৬৪৩, ১৩০৭৯০, ১৩০৭৯৬, ১৩৩৮৫২, ১৩৪৪৬৯, ১৩৭৬৬৫, ১৩৭৮১৩, ১৪৫০৪৩, ১৪৬৭০৯, ১৪৮৮২৯, ১৫৮৯৪৬, ১৬০৭৬৬, ১৭০০২০, ১৭৪১৯২, ১৮১২৩২, ১৮৬৪৯৩, ১৯২০৬৪, ১৯২১৬০, ১৯২২৪৭, ১৯৩৭৪৩, ১৯৮২৫৫, ২০২৬৯০, ২০৩৩৫৬, ২০৩৭০২, ২৩৩৯৮৭, ২৪৬৮১২, ২৪৭৪৪৮, ২৫১০৪৯, ২৫১২৪৬, ২৫৪২১৮, ২৫৫৬১৫, ২৫৫৬৮৫, ২৭৫৯৬৮, ২৭৬২৬৬, ২৮৩৬৯৯, ২৮৪২০৯, ২৮৮৯৭০, ২৯০৩৫৩, ২৯৭৪৭৬, ৩০৬৪৫৭, ৩১৩৬৩৭, ৩১৯৭১১, ৩২০৪১২, ৩২১৯৮৫, ৩২২৫৯৩, ৩২৬৪৫৩, ৩২৮৪৩৪, ৩২৮৭৮৬, ৩৩৭৭৭৯, ৩৩৮২৮৪, ৩৪০৮০৬, ৩৪৩২৬১, ৩৪৫৪২৭, ৩৪৬২৫৮, ৩৪৬৮২৯, ৩৪৭৩৪৪, ৩৫৩৮৬৭, ৩৬৫৩৪১, ৩৬৫৩৯০, ৩৬৭১৪৮, ৩৬৮৬২৮, ৩৬৯৪৩০= ৬৭ জন।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
১০০৮৩৯, ১০৩৪৮৮, ১০৪৬৪৪, ১১১৩৪৯, ১১৮৩৭৭, ১২৩৯৭৪, ১২৪০৮০, ১২৫৬০২, ১২৫৯৮২, ১২৭৬৭১, ১৪৯৭৯০, ১৫০৪৪৯, ১৫০৯০৯, ১৬০৫৭৬, ১৬০৬৭৫, ১৬২৮৫৪, ১৭২৮৪৬, ১৭৫৩৭৮, ১৭৭৪১৬, ১৭৭৬১৭, ১৮০৯৩৮, ১৮৩১৪৭, ১৮৩৭৩৭, ১৮৭৫৮৬, ১৯২১০২, ১৯২৮৭৫, ২০১২৩৩, ২০২০১৫, ২০৮৬০৪, ২০৯০৫৫, ২১৬৮৫১, ২২০৫১২, ২২০৫৫২, ২২২১৫০, ২২৩৫৪৬, ২৩১২৪৯, ২৩৮৭৯৬, ২৪৬৭০৮, ২৫২৭৪৪, ২৬১৬০৮, ২৬৫৪৬৩, ২৭০৪৩০, ২৭২৪৪৭, ২৭৪৭৬৭, ২৭৫৪৮২, ২৭৭৮১৫, ২৮৬০৩৮, ২৮৮৩৬৭, ৩০৪২৩৬, ৩১২২২০, ৩১৩৭৪৮, ৩১৬৮৬৭, ৩২৫৯২৯, ৩২৬৪৯৫, ৩৩৩০৭৯, ৩৪০৬৬৪, ৩৪২৬৮৩, ৩৪৪৫৬৯, ৩৪৯৮১৯, ৩৫১৫০২, ৩৫৬১১৪, ৩৬৭৩০৯= ৬২ জন।

আরো পড়ুন: স্বাস্থ্যের সিনিয়র নার্সের পরীক্ষার সূচি ও আসন প্রকাশ

বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড
১৪৮৭১২, ২৯২৮২৪, ৩৬৫৮৯২=৩ জন।

কর্মসংস্থান ব্যাংক
১০৪৮১১, ১০৬৭৬৭, ১১৮৩৪৪, ১৩১২৮২, ১৩৬৭১০, ১৬১৪৩৩, ১৮৬৮২১, ১৯৩৯০৭, ২০২৩০৮, ২০৩০২৬, ২০৩৯০৭, ২০৪৬৭৫, ২২৯৪৭৩, ২৩১৫০৬, ২৪৬৯৪৯, ২৪৭৪৯৫, ২৫৪১২৬, ২৫৭১৯২, ২৬৩৫৬৪, ২৮০৮৭৯, ২৮৩২৮২, ২৮৭৭০১, ২৯৭৬৭৫, ৩১২২৪৪, ৩১২২৮১, ৩১৩১৪৯, ৩১৮৩৩০, ৩২৩৩৮৬, ৩২৪৬২০, ৩২৬৩৭১, ৩২৯৯০৭, ৩৫১১৮৯ =৩২ জন।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
১৭৮৫০০, ১৯৫৫০৭, ২৫৮৩১৬, ২৭৮০৯২, ২৮৩৬৮৬, ৩১৯২৪৩, ৩৫৪০৫৮= ৭ জন।

বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন
১৩৮১২৩, ১৮২৯৮৩, ৩১০৯৯৮, ৩৫৬৪৯৯=৪ জন।
ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি জানিয়েছে, নিয়োগ-সংক্রান্ত পরবর্তী সব কার্যক্রম স্ব স্ব ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সম্পাদিত হবে। প্রকাশিত ফলাফল সংশোধনের অধিকার বিএসসি সংরক্ষণ করে।

বার্তাজগৎ২৪ / এম এ


আরো পড়ুন:



পা‌য়ে বাঁশ বেঁধে খুঁড়ি‌য়ে হাঁট‌ছে ছোট্ট শিশু হা‌বিবা


প্রকাশিত: মঙ্গলবার, মার্চ ২, ২০২১, ০২:০৪
পায়ে বাঁশ বেঁধে হাঁটছে হাবিবা

জীবনে যে বসয়ে হাবিবার দৌড়ঝাঁপ করে বাড়ির উঠান মাতিয়ে রাখার কথা ছিল, অথচ সেই বয়সে তাকে হাটতে হচ্ছে পায়ে বাঁশ বেঁধে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। তিন বছর বয়স থেকেই পায়ে বাঁশ বেঁধে কষ্ট করে হাটছে হাবিবা নামের এই শিশুটি। বলছিলাম কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার ৬ বছরের শিশু হাবিবার কথা৷

এক‌টি দুর্ঘটনা থা‌মি‌য়ে দি‌য়ে‌ছে শিশু‌টির জীব‌নের গ‌তি। শিশুটির যথাযথ চিকিৎসা করাতে না পেরেও পরিবারের কষ্টের শেষ নেই। তা‌কে নি‌য়ে চরম হতাশায় প‌রিবার। এমনকি সামান্য কিছু টাকার অভা‌বে কৃ‌ত্রিম পা লাগা‌তে পার‌ছেন না বাবা-মা।

জানা যায়, কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার বাদলা ইউনিয়নের বাদলা গ্রামের নুরুল আমিনের মে‌য়ে হা‌বিবা। বাবা রিকসা চা‌লি‌য়ে প‌রিবা‌রের ভরন‌পোষণ চালান।

হাবিবার বয়স তখন তিন বছর। নানীর সাথে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় চড়ে কিশোরগঞ্জ যাচ্ছিল। এ সময় সড়ক দুর্ঘটনায় হাবিবার এক পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সেই থে‌কে শুরু কষ্টের জীবনের সাথে হাবিবার জীবনে নতুন এক কষ্টের যোগ হয়। হাবিবার বাম পায়ের সঙ্গী যেন এক চিল‌তে বাঁশ।

স্বাভাবিকভাবে চলতে শিশু হাবিবার এক‌টি কৃত্রিম পা দরকার। খুব বে‌শি টাকার ব্যাপার না। ৩০ থে‌কে ৪০ হাজার টাকা। কিন্তু হা‌বিবার প‌রিবা‌রের কা‌ছে এটাই অ‌নেক বড় বোঝা। ত‌বে বাবা-মা স্বপ্ন দে‌খেন তা‌দের প্রিয় সন্তা‌নের পা‌শে কেউ না কেউ দাঁড়া‌বে। আবার ‌কিছুটা স্বাভা‌বিকভা‌বে হাঁট‌বে  ৬ বছ‌রের এক মাত্র সন্তান হা‌বিবা।

শিশু হাবিবা জানায়, বাঁশ বেঁ‌ধে হাঁটতে তার অনেক কষ্ট হয়। সবার মন চায় হাঁট‌তে, খেল‌তে। স্কু‌লে যাই‌তে। ত‌বে পা‌রিনা। 

হাবিবার বাবা নুরুল আমিন জানান, রিকশা চা‌লি‌য়ে কোনম‌তে সংসার চালাই। মে‌য়ের চি‌কিৎসার টাকা পা‌বো কেম‌নে। ‌মে‌য়ের চি‌কিৎসা ও এক‌টি পা লাগা‌তে পার‌লে মে‌য়েটা একটু শা‌ন্তি পেত।

ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অতিশ দাস রাজীব জানান, আজ সোমবার (১ মার্চ) শিশু হাবিবাকে নি‌য়ে হাসপাতা‌লে এস‌েছিল মে‌য়ে‌টির বাবা। তার পায়ের অবস্থা দেখে‌ছি। মে‌য়ে‌টির জন্য সম্ভাব্য সব ধর‌নের সহ‌যো‌গিতা দেয়া হ‌বে হাসপাতাল থে‌কে। 

তি‌নি জানান, হা‌বিবার পা‌য়ের বাঁশ খু‌লে আপাতত প্লাস্টি‌কের এক‌টি শেল্টার লা‌গি‌য়ে দেয়া হ‌চ্ছে। কৃ‌ত্রিম পা লাগা‌নোর বিষ‌য়ে ঢাকা মে‌ডি‌কেলসহ বি‌শেষজ্ঞ‌দের সাথে যোগা‌যোগ কর‌ছি। সূত্র: সময় সংবাদ




আমাকে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

বার্তাজগৎ২৪ ডেস্ক:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, মার্চ ২, ২০২১, ০১:৩২
সামিয়া রহমানের সংবাদ সম্মেলন

একাডেমিক গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির ঘটনায় শাস্তি হিসেবে পদাবনতি হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমান বলেছেন, অ্যালেক্স মার্টিন নামে যার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমাকে পদাবনতি দেওয়া হয়েছে, সেই নামে কেউ নেই। তিনি বলেন, তাকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি ন্যায়বিচার পাননি। এ বিষয়টি নিয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের কাছে ও উচ্চ আদালতে যাবেন।

গতকাল (১ মার্চ) সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় সামিয়া রহমান বলেন, যে অভিযোগে শাস্তি দেওয়া হয়েছে, যার পরিচয় (শিকাগো ইউনিভার্সিটির জার্নাল ‘ক্রিটিক্যাল ইনকোয়ারি’র অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যালেক্স মার্টিন পরিচয়ধারী) দিয়ে ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস থেকে চিঠি এসেছে, সেই অ্যালেক্স মার্টিন বলেই তো ওই জার্নালে কেউ নেই এবং তারা এ ধরনের চিঠি পাঠায়নি। শিকাগো জার্নালের এডিটর নিজে এটি স্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে তিনি জার্নালের সম্পাদকের সঙ্গে তার নিজের একটি মেসেঞ্জার কনভারসেশনের স্ক্রিনশট সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের দেন।

তিনি দাবি করেন, যে লেখাটির জন্য তিনি অভিযুক্ত, সেটি তিনি লিখেননি, কোথাও পাবলিশ হওয়ার জন্য জমা দেননি। তিনি আরেকজন অভিযুক্ত ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শাস্তি পাওয়া ক্রিমিনোলজি বিভাগের প্রভাষক সৈয়দ মাহফুজুল হক মারজানকে দোষারোপ করেন। তিনি বলেন, বিষয়টি মারজান নিজেও ট্রাইবুনালের কাছে স্বীকার করেছে। তবুও আমাকে কেন শাস্তির আওতায় আনা হলো? এটি ষড়যন্ত্র।

সামিয়া রহমান বলেন, ‘লেখাটি যে আমার নয়, সেটি জানিয়ে তৎকালীন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিনের কাছে লেখাটি প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছিলাম ২০১৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। ডিনের সেটি সিন্ডিকেটে তোলার কথা ছিল, কিন্তু তিনি কেন তুলেননি? বরং সাত মাস ঝুলিয়ে রেখে ২০১৭ সালে উপাচার্য আরেফিন স্যারকে ভিসির পদ থেকে সরানোর দুদিন পর তিনি বলেন, এবার তিনি বিষয়টি সিন্ডিকেটে তুলবেন। শিকাগো জার্নাল থেকে চিঠি এসেছে।’

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘এটি কয়েকবছর আগের বিষয়। এখন এতকিছু মনে নেই। তা ছাড়া, তদন্ত কমিটিও আমাকে ডাকেনি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার নিজস্ব নিয়মে এগিয়েছে। তদন্ত কমিটি হয়েছে, সিন্ডিকেটে গেছে, আমি আমার কাজ যথাযথভাবে সবসময় করে এসেছি। এখন এ বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।’

সামিয়া রহমান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যে প্লেইজারিজমের অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে আনা হয়েছে, সেটির সঙ্গে জড়িত থাকার দালিলিক প্রমাণ ট্রাইব্যুনাল পর্যন্ত দিতে পারেনি। ট্রাইবুনালের সুপারিশ মওকুফ কমাতে পারে সিন্ডিকেট। কিন্তু যে অভিযোগের প্রমাণ তারা পায়নি, সেটা কীভাবে বাড়িয়ে শাস্তির মুখোমুখি করে?

তিনি বলেন, ‘ঘটনাটা প্রথম জানতে পারি ২০১৬ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে আমেরিকা যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে বসে। ডিন অফিসের প্রথম ফোনের মাধ্যমে জানানো হয়, আমার আর মারজানের নামে একটি লেখার হার্ডকপি ও সফটকপি নাকি ডিন অফিস হারিয়ে ফেলেছে। একইসঙ্গে একটা লেখার হার্ড ও সফটকপি কীভাবে হারায়? সবচেয়ে বড় কথা, তাদের আমি জানাই আমি কোনো লেখা জমা দেইনি। তারা বারবার বলে মারজান একটি লেখা জমা দিয়েছিল। আমি মারজানকে তাৎক্ষণিকভাবে ফোন দিলে সে জানায়, ২০১৫ সালে তাকে দেওয়া অনেক আইডিয়ার মধ্য থেকে একটি লেখা সে লিখে জমা দেয়, আবার রিভিউয়ার নাকি সেটি গ্রহণও করেছেন। আমি তাকে বকাবকি করি, আমাকে না দেখিয়ে জমা দেওয়ার জন্য। সে বলে রিভিউয়ারও নাকি অ্যাকসেপ্ট করে ফেলেছে। আমি খুব অবাক হই, আমাকে না দেখিয়ে ডিন অফিস কেন লেখাটি প্রসিড করলো। মারজানকে আমি আমেরিকা থেকে ফিরে না আসা পর্যন্ত লেখাটি স্থগিত রাখতে বলি। কিন্তু আমি আমেরিকায় থাকা অবস্থায়ই লেখাটি পাবলিশড হয়ে যায়, আমি জানতে পর্যন্ত পারিনি।’

সামিয়া রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আমি বিভিন্ন সময় নানা ধরনের আইডিয়া দিয়েছি। আর্থিক সাহায্য চাইলে সাহায্য করেছি। চাকরি চাইলে চাকরি দিয়েছি। মারজানকেও আমি বিভিন্ন সময় আইডিয়া দিয়েছিলাম। কিছু কাজও করেছিলাম আগে। তবে, বিতর্কিত প্রবন্ধটি আমাকে না জানিয়ে, না দেখিয়ে আমার নির্দেশনা অমান্য করে মারজান বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পাদকীয় বোর্ডে জমা দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোনো ধরনের লেখা প্রকাশের আগে সম্পাদকীয় বোর্ড সভা করে সেটি প্রকাশের যোগ্য কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। ২০১৭ সালের আগের দু-তিন বছর এ ধরনের কোনো বোর্ডই বসেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা লেখা যে কেউ চাইলেই ছাপাতে পারেন না। প্রথমে সেটা ডিন অফিসে স্বাক্ষর করে জমা দিতে হয় হার্ড ও সফট কপিসহ, তারপর সেটা যায় এডিটরিয়াল বোর্ডের কাছে, তারপর রিভিউয়ারের কাছে। রিভিউয়ার যদি কোনো মেজর বা মাইনর সংশোধনের কথা বলেন বা বাতিল করেন, সেটা যায় এডিটরিয়াল বোর্ডের কাছে। তারপর অথর সংশোধন করতে দেওয়া হয়। অথর সংশোধনের পর আবার সেটি যায় এডিটরিয়াল বোর্ডের কাছে। যদি তারা ছাপার যোগ্য মনে করেন, তবে প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, তদন্ত কমিটি যেখানে এডিটোরিয়াল বোর্ডের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কথা বলেছে, সেখানে তাদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি?

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, হাইকোর্টের আইনজীবী তুরিন আফরোজ প্রমুখ।

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, “এটা সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা মানুষের বাক স্বাধীনতা ও মর্যাদায় বিশ্বাসী।”

তবে অভিযোগের বিষয়ে তিনি আর কোনো ব্যাখ্যা দিতে রাজি হননি।





চাকরি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
Logo

সম্পাদক: দিদারুল ইসলাম
প্রকাশক: আজিজুর রহমান মোল্লা
মোবাইল নাম্বার: 01711121726
Email: bartajogot24@gmail.com & info@bartajogot24.com