কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট স্থাপন: নতুন মাইলফলকে সিওমেকহা

বার্তাজগৎ২৪/ এমএ
নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশিত: ১০:১৪ অপরাহ্ন, ০৫ অগাস্ট ২০২২ | আপডেট: ১০:১৪ অপরাহ্ন, ০৫ অগাস্ট ২০২২

সিওমেকহা এর নাক-কান-গলা ও হেড-নেক সার্জারির বিভাগীয় প্রধান দেশবরেণ্য সার্জন অধ্যাপক ডা.মনি লাল আইচ লিটু প্রথমবারের মত দু'জন বধির রোগীর কানে সার্জারির মাধ্যমে শ্রবণযন্ত্র কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট স্থাপন করেন। ১ ও ২ আগস্ট এই সার্জারি করা হয়।

এই নিয়ে মোট আটজন বধির রোগীর কানে এ অপারেশন করা হলো। এতদিন যাবৎ এই অপারেশনগুলো হয়ে আসছিলো ঢাকা থেকে আগত অভিজ্ঞ কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জন দিয়ে।সর্বশেষ দুটি অপারেশন ঢাকার কক্লিয়ার সার্জনের উপস্থিতিতে সিওমেক এর উক্ত বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা.মনি লাল আইচ লিটু নিজেই সম্পন্ন করেন যা সিওমেকহা নাক-কান-গলা বিভাগে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করে। উক্ত সার্জারিতে অন্যতম মূখ্য ভূমিকা পালন করেন সিওমেকহা এর সহকারি অধ্যাপক ও কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট কর্মসূচী পরিচালক ডা.নূরুল হুদা নাঈম, ডা.মো.শাহকামাল ও ডা.কৃষ্ণ কান্ত ভৌমিক।সার্জিকেল এসিস্টেন্সিতে ছিলেন এমএস কোর্সের প্রশিক্ষণার্থী ডা.মেশকাত রায়হান ও ডা.অরূপ রাউৎ। সংশ্লিষ্টরা অচিরেই স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে অপারেশন চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সিওমেকহা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা.মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া সার্বক্ষণিকভাবে অপারেশন সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার ব্যাপারে পরামর্শ দেন এবং খোঁজখবর রাখেন। মূলত উনার সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনায়ই অত্যন্ত জটিল এই কার্যক্রম স্বল্পসময়ে এত গতিশীলতা পায়। সার্জনরা অপারেশনের পর অপারেশন নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, ২৫ মে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এর অধীনে পরিচালিত 'কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট কার্যক্রম' -এর আওতায় প্রথমবারের মত দুজন জন্মবধির তথা শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী শিশুর কানে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট স্থাপন করা হয়। কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জিকেল টিমের প্রধান নাক-কান-গলা ও হেড সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা.মনিলাল আইচ লিটুর সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রথম ও দ্বিতীয় অপারেশন টিমের মূল সার্জন ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উক্ত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা.কানু লাল সাহা ও সহযোগী অধ্যাপক ডা.হারুনুর রশীদ তালুকদার ইয়ামিন। এখন পর্যন্ত অপারেশন হওয়া আটজন রোগীই ভালো আছেন।উক্ত বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা.এম নূরুল ইসলাম বলেন, 'অপারেশন পরবর্তী অডিওভার্বাল থেরাপী,স্পীচ থেরাপি সহ আনুষঙ্গিক আরো বেশ কিছু বিষয়ের উপর রোগীর শ্রবণ ফিরে পাওয়া অনেকটাই নির্ভরশীল'। সিওমেকহাতে তথা সিলেটে এই অপারেশন নিয়মিত ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারায় 'কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট কার্যক্রম' এর পক্ষ থেকে বিএসএমএমইউ, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়।

বার্তাজগৎ২৪/ এমএ