মাঙ্কিপক্স: সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

বার্তাজগৎ২৪/কেএইচ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
প্রকাশিত: ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, ২৪ জুলাই ২০২২ | আপডেট: ৮:৪৬ অপরাহ্ন, ১১ অগাস্ট ২০২২
ফাইল ছবি

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে মাঙ্কিপক্স। এই ভাইরাসের সংক্রমণ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ায় জরুরি স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

আজ শনিবার (২৩ জুলাই) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ ঘোষণা দেয়।

শনিবার মাঙ্কিপক্স ভাইরাস নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। জরুরি কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক শেষে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য সতর্কতা জারির সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

বিশ্বের ৭৫টি দেশে ১৬ হাজারের বেশি মানুষ মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুস। মাঙ্কিপক্সের প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস মহামারি ও পোলিও নির্মুলের অব্যাহত প্রচেষ্টা নিয়ে এই ধরনের আরও দুটি স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা রয়েছে। সঠিক কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে মাঙ্কিপক্স প্রাদুর্ভাবের মোকাবিলা সম্ভব বলে জানান টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুস।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক সাংবাদিকদের বলেন, মাঙ্কিপক্স প্রাদুর্ভাব বিশ্বজুড়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এটি আসলেই আন্তর্জাতিক উদ্বেগের বিষয়। সংক্রমণের নতুন পদ্ধতির মাধ্যমে এই ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে আমরা কম বুঝি। মাঙ্কিপক্সের ঝুঁকি বিশ্বব্যাপী। তাই মাঙ্কিপস্ক নিয়ে জরুরি স্বাস্থ্য সতর্কতা ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

টেড্রোস সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মূল্যায়নে ইউরোপীয় অঞ্চল মাঙ্কিপক্সের ‘উচ্চ’ ঝুঁকিতে ও বিশ্বের সব অঞ্চল মাঙ্কিপক্সের ‘মাঝারি’ ঝুঁকিতে রয়েছে। এই ভাইরাসের বিশ্বব্যাপী বিস্তারে একটি সুস্পষ্ট ঝুঁকি রয়েছে। তবে বিশ্বজুড়ে মানুষের ভ্রমণ বর্তমানে কম।

তিনি বলেন, এই ঘোষণা টিকা তৈরির গতি ত্বরান্বিত করতে এবং ভাইরাসের বিস্তার সীমিত করার ব্যবস্থা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা বিশ্বের সকল দেশকে ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ও সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের সুরক্ষার পদক্ষেপ নিতে উদ্বুদ্ধ করবে।

প্রসঙ্গত, ১৯৫০ সালে মধ্য আফ্রিকার দেশে প্রথম মাঙ্কিপক্স শনাক্ত হয়েছিল। এটি একটি বিরল ভাইরাস। এখন পর্যন্ত এই ভাইরাস প্রতিরোধে নির্দিষ্ট ওষুধ আবিষ্কৃত হয়নি। এমনকি চিকিৎসা পদ্ধতিও নেই। এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ১০ শতাংশ মারা যেতে পারেন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বার্তাজগৎ২৪/কেএইচ