চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়নে বিরতিহীন কাজ করে যাচ্ছেন চসিক প্রশাসক সুজন

দিদারুল ইসলাম:

প্রকাশিতঃ ১০ অগাস্ট ২০২০ সময়ঃ সন্ধ্যা ৭ঃ২২
চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়নে বিরতিহীন কাজ করে যাচ্ছেন চসিক প্রশাসক সুজন
চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়নে বিরতিহীন কাজ করে যাচ্ছেন চসিক প্রশাসক সুজন

 

দিদারুল ইসলাম:

দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়নের কাজ ধীরগতিতে পড়ে থাকলেও জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যা সমাধানে মাঠ পর্যায়ে থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন চসিকের নবনিযুক্ত প্রশাসক খুরশেদ আলম সুজন।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নগরীর সাগরিকা মোড় হতে নয়া বাজার পর্যন্ত সমস্ত অবৈধ স্থাপনা, ফুটপাতের উপর বসানো দোকানপাট ও স্তুপকৃত মালামাল আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে সরিয়ে নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন।

সকালে সাগরিকা মোড় থেকে নয়াবাজার পর্যন্ত পোর্ট কানেকটিং সড়ক উন্নয়ন কাজ সরজমিনে পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদানকালে তিনি এই নির্দেশনা দেন।

এসময় তিনি বলেন, চসিক প্রশাসক হওয়ার পুর্ব থেকে এই রাস্তার হালচিত্র আমাকে সব সময় ব্যথিত করতো। তাই দায়িত্ব নেয়ার পর পোর্ট কানেকটিং সড়কের কাজ ত্বড়িৎ গতিতে সম্পন্ন করার প্রতিজ্ঞা করেছি। পুরো নগরীর মধ্যে এই সড়কটি অতিগুরুত্বপূর্ণ অথচ কী অদৃশ্য কারণে এতদিন যাবত এইকাজ সম্পন্ন হলো না।

তিনি বলেন, আমি প্রয়োজনে রাত-দিন এই রাস্তায় থাকবো, আমি দেখতে চাই এখানে বাঁধা কোথায়? যেখানে বাঁধা-সেখানেই লড়াই। আমি ছাত্র রাজনীতি করে এই পর্যায়ে এসেছি রাস্তায়-ই আমার রাজনীতি আমি রাস্তাতেই থাকবো এবং সমাধান আনবো।

তিনি রাস্তার দুইপাশে অবস্থিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মালিক যারা অবৈধভাবে চসিকের ড্রেন দখল করে জনচলাচলে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজকে আমি আপনাদের একজন হয়ে বলে গেলাম, নিজ দায়িত্বে এসব অপসারণ করেন না হয় আগামীকাল আমাকে দেখবেন প্রশাসকের ভূমিকায়। এসব অবৈধ স্থাপনা না সরালে আগামী ২৪ ঘন্টা পর ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হলে সবাইকে জরিমানা গুনতে হবে।

এসময় ব্যবসায়ীরা নিজ দায়িত্বে সমস্ত ভাসমান দোকান ও আসবাবপত্র রাস্তা থেকে সরিয়ে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন চসিক প্রশাসককে।

পরিদর্শনকালে চসিক প্রশাসক পায়ে হেঁটে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে স্থানীয় জনসাধারণ ও পথচারিদের সাথে তাদের সমসাময়িক দুর্ভোগ ও সমস্যার বিষয়ে আলাপ আলোচনা করেন।কি ধরনের কাজ করলে ভালো হয় সে বিষয়েও অনেকের কাছ থেকে পরামর্শ গ্রহণ করেন।

সুজনের এমন সাহসী ও নিরলস প্রচেষ্টা দেখে নগরীর হাজার হাজার মানুষের মধ্যে আশার আলো ফিরে এসেছে।পরিদর্শন কালে শত শত এলাকাবাসীকে জড়ো হয়ে সুজনের কাজের জন্য সাধুবাদ জানাতেও দেখা যায়।

বার্তাজগৎ২৪/ এম এ

Share on: