যশোর শিক্ষাবোর্ডের এসএসসি'র কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না ২৯০ পরীক্ষক

বার্তাজগৎ২৪ ডেস্ক

প্রকাশিতঃ ১৫ জানুয়ারী ২০২০ সময়ঃ রাত ১১ঃ৪০
যশোর শিক্ষাবোর্ডের এসএসসি'র কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না ২৯০ পরীক্ষক
যশোর শিক্ষাবোর্ডের এসএসসি'র কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না ২৯০ পরীক্ষক

বার্তাজগৎ২৪ ডেস্ক:

যশোর শিক্ষাবোর্ডের অধীনে আগামি ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি পরীক্ষার কোন কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না ২৯০ জন পরীক্ষক। তাদের শাস্তিস্বরূপ পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হবে। এর মধ্যে এসএসসির ১৩১ জন ও জেএসসির ১৫৯ জন পরীক্ষক। এমন তথ্য জানালেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র।

যশোর শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত বছর (২০১৯ সাল) এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয় এপ্রিল মাসের শেষের দিকে। তাতে ২৫ হাজার ২শ শিক্ষার্থী তাদের কাঙ্খিত ফলাফল পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়। তারা খাতা পুনঃনিরীক্ষার জন্য শিক্ষাবোর্ডে আবেদন করে। আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে বোর্ড কর্তৃপক্ষ ১৩১ জন পরীক্ষার্থীর আগে প্রকাশ করা ফলাফল পরিবর্তন করে ফলাফল প্রকাশ করে। এতে অনেক শিক্ষার্থী কাঙ্খিত ফলাফল পায়। এর মধ্যে ৩০ জন ফেল করা শিক্ষার্থী পাস করে। ফলে খাতা দেখায় ভুল করা ১৩১ জন পরীক্ষকের তালিকা করে শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা শাখা।

একই সালে জেএসসি পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষার জন্য আবেদন করে ১০ হাজার ৭৪৬ জন শিক্ষার্থী। অভিজ্ঞ পরীক্ষক দিয়ে আবেদনকারী শিক্ষার্থীর খাতা পুনঃনিরীক্ষা করা হলে ১৫৯ জনের ফলাফল পরিবর্তন হয়। এ পুনঃনিরীক্ষায়ও ফেল করা ৫৪ জন শিক্ষার্থী পাস করে। জিপিএ-৫ পায় ৮৩ জন। এখানেও বোর্ডের পরীক্ষা শাখা থেকে খাতা দেখায় ভুল করা ১৫৯ জন পরীক্ষকের তালিকা করা হয়।

বোর্ডের শৃংঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক শাস্তিস্বরূপ এসব পরীক্ষকদের চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার সকল কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হবে।

এ ব্যাপারে শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র জানান, পরীক্ষার খাতা দেখতে দেয়ার সময় পরীক্ষকদের নিয়ে মিটিং করা হয়। সেখানে বলা হয় নির্ভুলভাবে খাতা দেখার জন্য। এতে কোন ভুল হলে মেনে নেয়া হবে না। তারপরও ২৯০ জন পরীক্ষক খাতা দেখায় বড় ভুল করেন। খাতা পুনঃনিরীক্ষায় সেটা ধরা পড়ে। এ কারণে এসব পরীক্ষকদের শাস্তিস্বরূপ চলতি বছরে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি পরীক্ষার সকল কর্মকান্ড থেকে বিরত রাখা হবে।

বার্তাজগৎ২৪ ডেস্ক/সা/হ

Share on: